১২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই এখন আমাদের লক্ষ্য: বারি ডিজি

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম বলেছেন, “বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে আমরা ইতোমধ্যে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। দেশের মানুষের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই এখন আমাদের লক্ষ্য।”

বারি’র কীটতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে বুধবার “জৈব বালাইনাশক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফল ও শাক-সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে শাক-সবজি, ফল ও পান ফসলের পোকমাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’ এর অর্থায়নে ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গাজীপুরের কাজী আজিমউদ্দিন কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ৩৫ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

বারি’র কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্প পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. মিয়ারুদ্দীন ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. ফিরোজা খাতুন। কীটতত্ত্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আখতারুজ্জামান সরকার এর সঞ্চালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একই বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম বলেন, আসাদের দেশে কৃষক ভাইয়েরা ফসলে পোকা-মাকড় দমনের জন্য নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আমাদের ফসলে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। এতে আমরা যেমন নিরাপদ থাকবো তেমনি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বাস্থ্যঝুকি কমে আসবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই এখন আমাদের লক্ষ্য: বারি ডিজি

প্রকাশিত : ০৬:০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২০

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম বলেছেন, “বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে আমরা ইতোমধ্যে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। দেশের মানুষের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাই এখন আমাদের লক্ষ্য।”

বারি’র কীটতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে বুধবার “জৈব বালাইনাশক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফল ও শাক-সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে শাক-সবজি, ফল ও পান ফসলের পোকমাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’ এর অর্থায়নে ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গাজীপুরের কাজী আজিমউদ্দিন কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ৩৫ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

বারি’র কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্প পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. মিয়ারুদ্দীন ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. ফিরোজা খাতুন। কীটতত্ত্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আখতারুজ্জামান সরকার এর সঞ্চালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একই বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম বলেন, আসাদের দেশে কৃষক ভাইয়েরা ফসলে পোকা-মাকড় দমনের জন্য নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আমাদের ফসলে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। এতে আমরা যেমন নিরাপদ থাকবো তেমনি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বাস্থ্যঝুকি কমে আসবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ