০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

ফেরদৌস আহমেদ কোরশীর বিদায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দাফন সম্পন্ন

ফেনী দাগনভূঞা উপজেলা মঙ্গলবার বিকাল ৪ ঘটিকায় আতাতুর্ক  সরকারি স্কুল মাঠে মরহুমের শেষ জানাজা অনুষ্টিত হয়েছে।
উক্ত জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নেতা ও বার্সাসের বার্তা সম্পাদক কাজী তানভীর আলাদিন ও পিডিপির কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লা আল মামুন, দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল হাসানের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।এছাড়াও দাগনভূঞার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক, সাংবাদিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার নিজ বাড়িতে বাবা মায়ের কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ডক্টর ফেরদৌস আহমেদ কোরশীর জন্ম ফেনী জেলার দাগনভূঞার সদর ইউনিয়নের বাসুদেবপূর গ্রামে ১৯৪১ সালের ১৪ জানুয়ারী। ৬০ এর দশকের মেধাবী এই ছাত্র নেতা তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এর পর তিনি ১৯৬১ সালে ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন।জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে তার অবদান ছিল অসামান্য। ৬ দফা ও ১১দফা ভিত্তিক ছাত্র ও গণআন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূতত্থানে ফেরদৌস আহমেদ কোরশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।একাত্তরে মুক্তিযূদ্ধ চলাকালে মুক্তাঞ্চল থেকে মুক্তিযূদ্ধের মুখপত্র হিসেবে দৈনিক দেশবাংলা পত্তিকা বের করেন।ওই সময় থেকেত তিনি পত্তিকাটির সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রথম যুগ্ন মহাসচিবও ছিলেন ড.কোরশী। ২০০৪ সালে তিনি বিএনপি থেকে বের হয়ে গ্রিন পার্টি গঠন করেন।এরপর ২০০৭ সালে ওয়ান এলিবেনের সময় তিনি প্রগতিশীল গণতািন্ত্রক দল( পিডিপি) গঠন করেন।মৃত্যুর আগেরদিন পর্যন্ত তিনি দলটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। নিজ গ্রামে শিক্ষা বিস্তারের আলোকে ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ছিদ্দিক নুরুননেছা জুনিয়র হাই স্কুল। স্কুলটি রাজনৈতক কারনে আজও এমপিওভুক্ত হয়নি।
দীর্ঘদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন।গত সোমবার দুপুরে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভাড়া বাসা থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসল তাকে মৃত ঘোষনা করেন।ডক্টর ফেরদৌস আহমেদ কোরশীর বড় মেয়ে অনিন্দিতা শবনম কোরশী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দাগনভূঞার মেধাবী এই সূর্যসন্তানের জাতীয় অবদানের জন্য তিনি পুরু জাতীর কাছে চিরস্বরণীয় হয়ে থাকবেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

ফেরদৌস আহমেদ কোরশীর বিদায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত : ০৭:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২০
ফেনী দাগনভূঞা উপজেলা মঙ্গলবার বিকাল ৪ ঘটিকায় আতাতুর্ক  সরকারি স্কুল মাঠে মরহুমের শেষ জানাজা অনুষ্টিত হয়েছে।
উক্ত জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নেতা ও বার্সাসের বার্তা সম্পাদক কাজী তানভীর আলাদিন ও পিডিপির কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লা আল মামুন, দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল হাসানের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।এছাড়াও দাগনভূঞার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক, সাংবাদিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার নিজ বাড়িতে বাবা মায়ের কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ডক্টর ফেরদৌস আহমেদ কোরশীর জন্ম ফেনী জেলার দাগনভূঞার সদর ইউনিয়নের বাসুদেবপূর গ্রামে ১৯৪১ সালের ১৪ জানুয়ারী। ৬০ এর দশকের মেধাবী এই ছাত্র নেতা তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এর পর তিনি ১৯৬১ সালে ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন।জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে তার অবদান ছিল অসামান্য। ৬ দফা ও ১১দফা ভিত্তিক ছাত্র ও গণআন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূতত্থানে ফেরদৌস আহমেদ কোরশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।একাত্তরে মুক্তিযূদ্ধ চলাকালে মুক্তাঞ্চল থেকে মুক্তিযূদ্ধের মুখপত্র হিসেবে দৈনিক দেশবাংলা পত্তিকা বের করেন।ওই সময় থেকেত তিনি পত্তিকাটির সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রথম যুগ্ন মহাসচিবও ছিলেন ড.কোরশী। ২০০৪ সালে তিনি বিএনপি থেকে বের হয়ে গ্রিন পার্টি গঠন করেন।এরপর ২০০৭ সালে ওয়ান এলিবেনের সময় তিনি প্রগতিশীল গণতািন্ত্রক দল( পিডিপি) গঠন করেন।মৃত্যুর আগেরদিন পর্যন্ত তিনি দলটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। নিজ গ্রামে শিক্ষা বিস্তারের আলোকে ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ছিদ্দিক নুরুননেছা জুনিয়র হাই স্কুল। স্কুলটি রাজনৈতক কারনে আজও এমপিওভুক্ত হয়নি।
দীর্ঘদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন।গত সোমবার দুপুরে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভাড়া বাসা থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসল তাকে মৃত ঘোষনা করেন।ডক্টর ফেরদৌস আহমেদ কোরশীর বড় মেয়ে অনিন্দিতা শবনম কোরশী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দাগনভূঞার মেধাবী এই সূর্যসন্তানের জাতীয় অবদানের জন্য তিনি পুরু জাতীর কাছে চিরস্বরণীয় হয়ে থাকবেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ