নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও চৌমুহনীতে ১১৩ মেগওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সময় জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খাঁন, নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৩ আসনের সাংসদ মামুনুর রশীদ কিরণ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর উল্লাহ, জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা এবং দুজন সুবিধাভোগী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রথম সারিতে বসার স্থান হয়নি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান, প্রবীণ ও ত্যাগী নেতা এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমের। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পাশে এক কোনে বসে আছেন। ক্যামেরায়ও তাকে দেখা যাচ্ছিল না। জেলা প্রশাসক যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন তখন এই প্রবীণ নেতার নামটিও বলেননি।
হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে উঠলেন, “আমার মনে হয় ওখানে আমাদের আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট আছেন, সেলিম সাহেব। আছেন? সংক্ষেপে কিছু বলুন।”
প্রধানমন্ত্রীর মুখে ত্যাগী এই নেতার নাম শুনে সবাই বিস্মিত হয়ে গেলেন। যে মানুষটিকে পুরো অনুষ্ঠানে কেউ মূল্যায়নই করেনি, বসার আসন রাখা হয়েছে দূরে- সেই নেতাকে ঠিকই খুঁজে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী!
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর





















