০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

৮ দিবস বাধ্যতামূলক পালনের রিট খারিজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সহ আটটি দিবসকে বাধ্যতামূলকভাবে পালনের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদেশের সময় আদালত বলেন, এ বিষয়ে এখতিয়ার হচ্ছে পার্লামেন্টের। আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোজাম্মেল হক ও মো. শহীদুল ইসলাম। পরে ৪ জানুয়ারি এ রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়।

ওইদিন শহীদুল ইসলাম বলেন, দিবসগুলো হলো-৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস।

দিবসগুলো সব রাজনৈতিক দলসহ সব নাগরিকের জন্য পালন বাধ্যতামূলক কর‍ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিক জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। যারা এসব পালনে ব্যর্থ হবে তাদের নিবন্ধন স্থগিত হবে। এসব দিবস সবার জন্য পালন বাধ্যতামূলক করা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আসন্ন জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের আর্জি জানানো হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

৮ দিবস বাধ্যতামূলক পালনের রিট খারিজ

প্রকাশিত : ০২:৫১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৮

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সহ আটটি দিবসকে বাধ্যতামূলকভাবে পালনের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদেশের সময় আদালত বলেন, এ বিষয়ে এখতিয়ার হচ্ছে পার্লামেন্টের। আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোজাম্মেল হক ও মো. শহীদুল ইসলাম। পরে ৪ জানুয়ারি এ রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়।

ওইদিন শহীদুল ইসলাম বলেন, দিবসগুলো হলো-৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস।

দিবসগুলো সব রাজনৈতিক দলসহ সব নাগরিকের জন্য পালন বাধ্যতামূলক কর‍ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিক জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। যারা এসব পালনে ব্যর্থ হবে তাদের নিবন্ধন স্থগিত হবে। এসব দিবস সবার জন্য পালন বাধ্যতামূলক করা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আসন্ন জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের আর্জি জানানো হয়।