ভোলার দৌলতখানে পৃথক পৃথক ঘটনায় নির্যাতনের শিকার হয়ে ২ গৃহবধূ দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গৃহবধূরা হচ্ছে চরপাতা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের শারমিন আক্তার (২৫) ও চরপাতা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের রিমা বেগম (২৫)।
জানা যায়, ১ বছর পূর্বে লক্ষ¥ীপুর কমলনগরের সোহেলের সাথে শারমিন আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ৫/৬ মাস তারা ভোলায় বাসা ভাড়া করে ছিলো। এরপর শারমিন আক্তার ল²ীপুরে স্বামীর বাসায় গিয়ে দেখতে পায় তার ১ম স্ত্রী রয়েছে। ল²ীপুরে থাকা অবস্থায় সোহেল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী তাকে প্রায়ই মারধর করতো। ৩ দিন পূর্বে সোহেল তাকে পুনরায় বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাড়িতে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে শারমিনের বড় ভাই নুরে আলম তাকে উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাসুর জাহাঙ্গীর কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে রিমা বেগম নামে এক গৃহবধু দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। রিমা বেগম চরপাতা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের জহুরুল ইসলামের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ পূর্বে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিমা বেগম তার ভাসুর জাহাঙ্গীরের ছেলেকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে ফেলে । এ নিয়ে এলাকায় শালিস বৈঠকের কথা ছিলো। বৃহস্পতিবার সকালে ভাসুরের ছেলের সাথে রিমা বেগমের কথার কাটাকাটি নিয়ে পুনরায় মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ




















