০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ক্ষয়ক্ষতি, করোনার স্থবিরতা নতুন রূপে সুন্দরবন

আম্পানের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না পারলেও করোনার স্থবিরতা বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন আবারো সেজেছে নয়নাভিরাম সবুজে সবুজে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলে বাওয়ালী, রেনু ও কাকড়া শিকারী, জীবন জীবিকার তাগিদে করোনাকে উপেক্ষা করে নেমে পড়েছে সেই আগের কর্মচাঞ্চল্যতায়।

সম্প্রতি সুন্দরবনে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণ পিপাষুদের হৃদয়ে স্বপ্লীল সুন্দরবন শিহরণ দিচ্ছে। বর্ষা মৌসুম যায় যায়। শীতকে সামনে রেখে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল শ্রমজীবি ও পর্যটকদের আগ্রহের যেন কমতি নেই। সরেজমিন সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন নদনদী ও খাল ঘুরে দেখা গেছে সুন্দরবনের উপর যে ভয়াবহতা আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্পান তার ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে সবুজে সবুজে সেজেছে। ভাঙ্গা সুন্দরী, গরান, হেতাল গাছ থেকে কচি পাতাগুলো উকি দিচ্ছে। মৎস্যজীবিরা সুন্দরবনের পারমিট নিয়ে মাছ শিকার করছে। করোনা পরিস্থিতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবেলা করে অনেক শিশু ও নারীরা নদীর কিনারে ও খাল ধরে সিটকে জাল টেনে রেনু শিকার করছে।

যা তারা চাষীদের নিকট বিক্রি করে পরিবার পরিজনের মুখে আহার যুগিয়ে থাকবে। সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনের উপর প্রায় ৩৫ লক্ষ মানুষ নির্ভরশীল। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালীর মানুষ সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর করোনায় মানুষের কর্মব্যস্ততা থেমে গেলেও আবারো প্রাণ চাঞ্চল্যতায় অনেকটাই ফিরে এসেছে সুন্দরবন। পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পশ্চিম সুন্দরবন ও বাগেরহাট জেলার মংলার করমজল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ক্ষয়ক্ষতি, করোনার স্থবিরতা নতুন রূপে সুন্দরবন

প্রকাশিত : ০৮:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আম্পানের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না পারলেও করোনার স্থবিরতা বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন আবারো সেজেছে নয়নাভিরাম সবুজে সবুজে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলে বাওয়ালী, রেনু ও কাকড়া শিকারী, জীবন জীবিকার তাগিদে করোনাকে উপেক্ষা করে নেমে পড়েছে সেই আগের কর্মচাঞ্চল্যতায়।

সম্প্রতি সুন্দরবনে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণ পিপাষুদের হৃদয়ে স্বপ্লীল সুন্দরবন শিহরণ দিচ্ছে। বর্ষা মৌসুম যায় যায়। শীতকে সামনে রেখে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল শ্রমজীবি ও পর্যটকদের আগ্রহের যেন কমতি নেই। সরেজমিন সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন নদনদী ও খাল ঘুরে দেখা গেছে সুন্দরবনের উপর যে ভয়াবহতা আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্পান তার ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে সবুজে সবুজে সেজেছে। ভাঙ্গা সুন্দরী, গরান, হেতাল গাছ থেকে কচি পাতাগুলো উকি দিচ্ছে। মৎস্যজীবিরা সুন্দরবনের পারমিট নিয়ে মাছ শিকার করছে। করোনা পরিস্থিতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় মোকাবেলা করে অনেক শিশু ও নারীরা নদীর কিনারে ও খাল ধরে সিটকে জাল টেনে রেনু শিকার করছে।

যা তারা চাষীদের নিকট বিক্রি করে পরিবার পরিজনের মুখে আহার যুগিয়ে থাকবে। সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনের উপর প্রায় ৩৫ লক্ষ মানুষ নির্ভরশীল। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালীর মানুষ সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর করোনায় মানুষের কর্মব্যস্ততা থেমে গেলেও আবারো প্রাণ চাঞ্চল্যতায় অনেকটাই ফিরে এসেছে সুন্দরবন। পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পশ্চিম সুন্দরবন ও বাগেরহাট জেলার মংলার করমজল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ