ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার অজুহাতে ও দেশীয় পেঁয়াজের সংকট দেখিয়ে বরগুনার আমতলী উপজেলার সকল হাট-বাজারে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুন হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) প্রতি কেজি পেঁয়াজ যেখানে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে তা আজ (বুধবার) বৃদ্ধি পেয়ে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে পরিবারে নিত্য প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ কিনতে নাভিশ্বাস উঠেছে অত্র উপজেলার নিম্মধ্যবিত্ত ও নিম্মআয়ের সাধারণ মানুষের।
আজ (বুধবার) আমতলী পৌরশহরের সাপ্তাহিক হাট ও গ্রাম-গঞ্জের বাজারগুলিতে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সর্বত্রই পেঁয়াজের সংকট দেখিয়ে বিক্রেতারা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এ পেঁয়াজ গতকাল বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়।
আমতলী নতুন বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, এক কেজি পেঁয়াজ কিনতে দোকানে গিয়ে জানতে পারি পেঁয়াজের কেজি ১১০ টাকা। এজন্য পেঁয়াজ না কিনেই বাসায় ফিরে এসেছি। আমরা গরিব মানুষ মনে হয় পেঁয়াজ ছাড়াই আমাদের তরকারি খেতে হবে।
অপর ক্রেতা গৃহীনি আফরোজা বেগম বলেন, তিনি গতকাল ৬০ টাকা দরে দুই কেজি পেঁয়াজ ১২০ টাকায় ক্রয় করেছেন। সেই পেঁয়াজ আজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আমতলী নতুন বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মধু মিয়া বলেন, প্রতিদিনই বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলছে। ক্রেতারা বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এক দিনের ব্যবধানে ৬০/৭০ টাকা কেজি দরের পেঁয়াজ আজ (বুধবার) ১০০/১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পেঁয়াজের দামের পাশাপাশি দাম বৃদ্ধি পেয়েছে আদা ও আলুর। চায়না আদা প্রতি কেজি ২১০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, দেশী আদা ২০০ থেকে ২১০ টাকা, আলু ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, শ্রীগ্রই বাজার পর্যবেক্ষণ করা হবে। অহেতুকভাবে কেহ যদি পেঁয়াজসহ অন্যান্য কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর





















