১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আটকা পড়েছে শত শত পেঁয়াজের ট্রাক

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের সীমান্তে আটকা পড়েছে ব্যবসায়ীদের আমদানি করা শত শত ট্রাকভর্তি পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজ অতি দ্রুত খালাস করতে না পারলে তা পচে নষ্ট হয়ে যাবে।

রপ্তানি বন্ধের পর গত সোমবার থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর, যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর ও দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলবন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ দেশে ঢোকেনি। অথচ এসব সীমান্তের ভারতের অংশে আটকে আছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আমদানি করা পেঁয়াজ। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এলসির মাধ্যমে আমদানি করা এসব পেঁয়াজ রপ্তানির বন্ধের আগেই কেনা হয়েছে। কিন্তু এখন রপ্তানি বন্ধের অজুহাতে এসব পেঁয়াজ ভারত বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে না।

হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জাহিদুল ইসলাম জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পুনরায় রপ্তানির আশ্বাস দিলেও গতকাল বুধবার পর্যন্ত সীমান্তে আটকে থাকা পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাকগুলো হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।

গত সোমবার ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকটের কারণে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে শুধু দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের ভারত অংশেই কমপক্ষে ২৫০ থেকে ৩০০ পেঁয়াজ বোঝাই ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় আটকা পড়ে। বেনাপোল সীমান্তে আটকা পড়েছে আরো ৩০০ ট্রাক। প্রায় একই অবস্থা অন্য বন্দরগুলোতেও।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ ভারতের ব্যবসায়ীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, গত রবিবার ২০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য টেন্ডার করা হয়েছিল। আশা করছি, সেই পেঁয়াজ ভারত সরকার বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি দেবে। তা না হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গতকাল বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বর্ডারে যেগুলো আটকা আছে সে বিষয়ে সমস্যার সমাধান হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আটকা পড়েছে শত শত পেঁয়াজের ট্রাক

প্রকাশিত : ১০:৫৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

ভারতের সীমান্তে আটকা পড়েছে ব্যবসায়ীদের আমদানি করা শত শত ট্রাকভর্তি পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজ অতি দ্রুত খালাস করতে না পারলে তা পচে নষ্ট হয়ে যাবে।

রপ্তানি বন্ধের পর গত সোমবার থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর, যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর ও দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলবন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ দেশে ঢোকেনি। অথচ এসব সীমান্তের ভারতের অংশে আটকে আছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আমদানি করা পেঁয়াজ। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এলসির মাধ্যমে আমদানি করা এসব পেঁয়াজ রপ্তানির বন্ধের আগেই কেনা হয়েছে। কিন্তু এখন রপ্তানি বন্ধের অজুহাতে এসব পেঁয়াজ ভারত বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে না।

হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জাহিদুল ইসলাম জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পুনরায় রপ্তানির আশ্বাস দিলেও গতকাল বুধবার পর্যন্ত সীমান্তে আটকে থাকা পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাকগুলো হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।

গত সোমবার ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকটের কারণে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে শুধু দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের ভারত অংশেই কমপক্ষে ২৫০ থেকে ৩০০ পেঁয়াজ বোঝাই ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় আটকা পড়ে। বেনাপোল সীমান্তে আটকা পড়েছে আরো ৩০০ ট্রাক। প্রায় একই অবস্থা অন্য বন্দরগুলোতেও।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ ভারতের ব্যবসায়ীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, গত রবিবার ২০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য টেন্ডার করা হয়েছিল। আশা করছি, সেই পেঁয়াজ ভারত সরকার বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি দেবে। তা না হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গতকাল বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বর্ডারে যেগুলো আটকা আছে সে বিষয়ে সমস্যার সমাধান হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর