কুমিল্লা জেলার কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সোমবার থেকে ই-পাসপোর্ট এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন থেকে গ্রাহকরা প্রতিদিনই অনলাইনে আবেদন করে নির্ধারিত ব্যাংক ফি জমা দিয়ে ই-পাসপোর্ট জমাদান ও গ্রহন করতে পারবেন।গত ২৯ জুন ই-পাসপোর্ট প্রকল্প কর্মকর্তা ল্যাঃ কর্নেল নূর আলম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। করোনা পরিস্থিতির কারনে উদ্বোধন হলেও জমাদান কার্যক্রম চালু করা হয়নি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হওয়ায় সোমবার থেকে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রথমদিনে ২০ টির উপরে আবেদন জমা হয়েছে বলে জানান পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইটে গিয়ে ই-পাসপোর্ট ফরমটি ডাউনলোড করে আবেদন করলে একটি তারিখ দেয়া হবে,তারিখ অনুযায়ী পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ১০ আঙ্গুলে ফিঙ্গার প্রিন্টসহ যাবতীয় কার্যক্রম করতে হবে। সাধারন ও জরুরি ফি দিয়ে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট গ্রহন করতে পারবে গ্রাহকরা। ই-পাসপোর্ট এর কারনে গ্রাহকরা ইমিগ্রেশন হয়রানী থেকে বেচে যাবে।
প্রথম দিনে কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট জমা দিতে আসা কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ নুরুজ্জামান জানান, প্রতিটি নাগরিকেরই সাধারন পাসপোর্ট এর পরিবর্তে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল ই-পাসপোর্ট গ্রহন করা উচিত।
এ বিষয়ে কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শামীম আহমেদ জানান, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হওয়া প্রবাসী অধ্যাশিত জেলা কুমিল্লার জন্য বিশাল সুখবর। এখন থেকে গ্রাহকরা নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ই-পাসপোর্ট গ্রহন করতে পারবে। নতুনভাবে চালু হওয়ায় গ্রাহকদের একটু ধৈর্য্য ধরে জমা দেয়ার আহবান জানান তিনি ।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ




















