খাগড়াছড়িতে চাঞ্চল্যকর ও দুর্ধর্ষ ডাকাতি এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলার দায়েরের ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতেই ঘটনায় জড়িতদের আটক ও ক্লু উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭জনকে আটক করা হয়। পরে আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে আটককৃতরা।
২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে আটককৃত ৭জনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ডাকাতদলের ব্যবহৃত অস্ত্র, সিএনজি এবং লুন্ঠিত বেশ কিছু জিনিস। মুলত পরিকল্পিত ভাবে তারা ডাকাতি এবং ধর্ষণের উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তিনি। এ সময় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুর রশিদসহ পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ আরো জানান, আটকৃতরা সবাই পেশাদার অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ধর্ষণ, ডাকাতি, চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। জেলখানায় থাকা অবস্থায় একে অপরের সাথে পরিচয় হয়। ঘটনার দিন লুটপাটের এক পর্যায়ে মা-বাবাকে এক রুমে বেঁধে রেখে অন্য রুমে প্রতিবন্ধী ওই তরুণী(২৬)’কে ডাকাতদলের ৪ সদস্য উপর্যুপরী ধর্ষণ করে। ঘটনার পর খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৭জনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
উল্লেখ্য যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে জেলা শহরের বলপাইয়া আদাম এলাকায় একটি ঘরে সবাইকে বেঁধে ডাকাতিকালে প্রতিবন্ধি নারী(২৬)কে গণধর্ষনের ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন ভিকটিমের মা। পুলিশ বিষয়টি আমলে নিয়ে অপরাধীদের ধরতে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে জড়িত ৭জন অপরাধীকে আটকসহ ডাকাতির কিছু মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















