জামালপুরে রিকশা চালক রাসেল (২৫) হত্যা মামলায় ২ সহোদরকে ফাঁসি ও ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রবিবার দুপুরে আদালতের বিচারক মো: জুলফিকার আলী খাঁন এ দণ্ডাদেশ দেন।
মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র জানান, ২০০৭ সালে ২৬ ডিসেম্বর জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ইসলামপুর উপজেলার পূর্ব শাশারিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত মইন উদ্দিন এর ছেলে রাসেলের সাথে প্রতিবেশী ভূট্টু ও তার বন্ধুদের ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে পরেরদিন রাতে ভূট্টুর সহযোগীরা রাসেলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সকালে একটি আখ ক্ষেত থেকে রাসেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় রাসেলের মা আছিয়া খাতুন ওরফে ধলিমন বাদী হয়ে (ইসলামপুর থানায় বিগত ২৮ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মামলা নং-১৫) ভূট্টুসহ ১৩ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় ২৫ জন সাক্ষির মধ্যে ১৫ আসামীর সাক্ষগ্রহণ শেষে পেনেল কোর্ট, ১৮৬০ এর ৩০২ ধারার অপরাধে বুদুর ছেলে ১। ভূট্টু (৩০) ও তার ভাই ২। খালেক (৪৫) পিতা- বুদু, উভয় সাং- পূর্ব শশারিয়া বাড়ী, থানা- ইসলামপুর জেলা- জামালপুরকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এছাড়াও অপর আসামী ১। ছামিউল (৩০) পিতা- শামছুল, ২। জহিজল(৩০) পিতা-লাল মিয়া, ৩। রশিদ( ৪৫) পিতা- মৃত গাদু, ৪। মো. কাশি( ৫০) পিতা- মৃত গাদু, ৫। ফুলু মিয়া (৩০ ) পিতা মৃত ছাইর উদ্দিন, ৬। বিদ্যুৎ (২৫) পিতা- শাহাদুল্যা ও ৭। বাবুল (২৫ ) পিতা- মৃত গাদ–, সর্বসাং পূর্ব শশারিয়া বাড়ি, থানা ইসলামপুর জেলা জামালপুরকে পেনেল কোর্ট ১৮৬০ এর ৩০২/৩৪ ধারার অপরাধে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করার আদেশ দেন জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো: জুলফিকার আলী খাঁন।
এসময় মামলার অপর ৪ আসামী ১। হুচ্চু ওরফে আমিরুল, ২। ফেক্কু পিতা মকবুল, ৩। ইয়া মন্ডল পিতা- মৃত ফাজিল মন্ডল ও ৪। সাহেব আলী পিতা-ফকর ইসলাম, সর্ব সাং- পূর্ব শশারিয়া বাড়ী থানা- ইসলামপুর, জেলা জামালপুরকে পেনেল কোর্ট ১৮৬০ এর ৩০২/ ২০১/৩৪ ধারায় অপরাধের অভিযোগের দায় হইতে খালাস দেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইন জীবী ছিলেন এডভোকেট নির্মল কান্তি ভদ্র পি.পি এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও এডভোকেট মোঃ আনোয়ারুল করিম শাহজাহান।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















