১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

লড়াই করেও হেরে গেল কলকাতা

দিল্লির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন ইয়ন মর্গ্যান ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১২২ রানের ভিতরেই ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল কেকেআর সেখান থেকেই পাল্টা লড়াই শুরু করলেন ইংলিশ অধিনায়ক এবং এবারের আইপিএলে প্রথম খেলতে নামা রাহুল ত্রিপাঠী।

মর্গ্যান করলেন ১৮ বলে ৪৪ রান। একটি চার ও পাঁচটি ছয় মারলেন। তার মধ্যে রাবাডার এক ওভারে তিনটি ছয়। রাহুল ত্রিপাঠীর অবদান ১৬ বলে ৩৬ রান। তিনটি চার ও তিনটি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস। কিন্তু কেকেআরকে জেতানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ২০ ওভার শেষে নাইটরা থামল ২১০/‌৮ রানে। কলকাতা হারল ১৮ রানে।

গতকাল শনিবার (৩ অক্টোবর) টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন কার্তিক। কিন্তু দিল্লি ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। পৃথ্বী শ্বহ করলেন ৪১ বলে ৬৬। শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ২৬। শুরুটা ভাল হওয়ার পর মারতে শুরু করেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তিনিই ম্যাচের সেরা। তিনি করলেন ৩৮ বলে অপরাজিত ৮৮ রান। তার ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও ৬টি ছয়। ঋষভ পন্থ করলেন ১৭ বলে ৩৮ রান।

কেকেআর বোলারদের নিয়ে বলার কিছুই নেই। একমাত্র রাসেল কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেন। পেলেন ২ উইকেট। দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভারে করে ২২৮/‌৪ রান।

জবাবে শুরু থেকেই কলকাতা চাপে পড়ে যায়। এদিনও রান পাননি সুনীল নারিন। শুভমান গিল করলেন ২৮ রান। টপ অর্ডারে রান একমাত্র নীতিশ রানার। তার অবদান ৩৫ বলে ৫৮। মারলেন ৪টি চার ও সমসংখ্যক ছয়। রাসেল আবারও ব্যর্থ। দীনেশ কার্তিক আর কবে রান পাবেন তা কেউ জানে না। লড়াইটা করলেন মর্গ্যান ও ত্রিপাঠী। দিল্লির হয়ে অনরিচ নর্চজে পেলেন ৩ উইকেট। হর্ষল প্যাটেল পেলেন ২ উইকেট।

এই জয়ের ফলে আরসিবিকে টপকে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে শীর্ষে চলে এল দিল্লি। আর কেকেআর নেমে গেল পাঁচ নম্বরে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

 

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প বেড়ীবাঁধ সড়কে আবারও ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি

লড়াই করেও হেরে গেল কলকাতা

প্রকাশিত : ১২:১২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২০

দিল্লির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন ইয়ন মর্গ্যান ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১২২ রানের ভিতরেই ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল কেকেআর সেখান থেকেই পাল্টা লড়াই শুরু করলেন ইংলিশ অধিনায়ক এবং এবারের আইপিএলে প্রথম খেলতে নামা রাহুল ত্রিপাঠী।

মর্গ্যান করলেন ১৮ বলে ৪৪ রান। একটি চার ও পাঁচটি ছয় মারলেন। তার মধ্যে রাবাডার এক ওভারে তিনটি ছয়। রাহুল ত্রিপাঠীর অবদান ১৬ বলে ৩৬ রান। তিনটি চার ও তিনটি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস। কিন্তু কেকেআরকে জেতানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ২০ ওভার শেষে নাইটরা থামল ২১০/‌৮ রানে। কলকাতা হারল ১৮ রানে।

গতকাল শনিবার (৩ অক্টোবর) টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন কার্তিক। কিন্তু দিল্লি ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী। পৃথ্বী শ্বহ করলেন ৪১ বলে ৬৬। শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ২৬। শুরুটা ভাল হওয়ার পর মারতে শুরু করেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তিনিই ম্যাচের সেরা। তিনি করলেন ৩৮ বলে অপরাজিত ৮৮ রান। তার ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও ৬টি ছয়। ঋষভ পন্থ করলেন ১৭ বলে ৩৮ রান।

কেকেআর বোলারদের নিয়ে বলার কিছুই নেই। একমাত্র রাসেল কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেন। পেলেন ২ উইকেট। দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভারে করে ২২৮/‌৪ রান।

জবাবে শুরু থেকেই কলকাতা চাপে পড়ে যায়। এদিনও রান পাননি সুনীল নারিন। শুভমান গিল করলেন ২৮ রান। টপ অর্ডারে রান একমাত্র নীতিশ রানার। তার অবদান ৩৫ বলে ৫৮। মারলেন ৪টি চার ও সমসংখ্যক ছয়। রাসেল আবারও ব্যর্থ। দীনেশ কার্তিক আর কবে রান পাবেন তা কেউ জানে না। লড়াইটা করলেন মর্গ্যান ও ত্রিপাঠী। দিল্লির হয়ে অনরিচ নর্চজে পেলেন ৩ উইকেট। হর্ষল প্যাটেল পেলেন ২ উইকেট।

এই জয়ের ফলে আরসিবিকে টপকে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে শীর্ষে চলে এল দিল্লি। আর কেকেআর নেমে গেল পাঁচ নম্বরে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার