কক্সবাজারে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় নুরুল হুদা নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা অার্থিক জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড দেন বিজ্ঞ আদালত। মামলায় ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১ এর বিচারক মোসলেহ্ উদ্দিন এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি নুরুল হুদা কক্সবাজার সদর উপজেলার মধ্যম নাপিতখালীর ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডভোকেট বদিউল আলম সিকদার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রায়ে আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, মামলায় বাদী, ভিকটিম, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৬ জন স্বাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত। স্বাক্ষীদের স্বাক্ষে আসামি নুরুল হুদার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০এর ৭/৯(১) এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সারের ১৭ এপ্রিল রাত আটায় বাদীর আঙ্গিনা থেকে মেয়ে জোসনাকে (১৪) (ছন্দনাম) অপহরণ করে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদী (নাম পরিচয় গোপন রাখা হলো) হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাজাপ্রাপ্ত আসামি নুরুল হুদাকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেন। আদালতের নির্দেশ পেয়ে অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করেন কক্সবাজার মডেল থানা। থানা মামলা নং ৪৫/২০০১। যা জিআর ১৫৪/০১। তারিখ ২৫/০৪/২০০১। মডেল থানা পুলিশের এসআই সোলাইমান চৌধুরী মামলাটি তদন্ত করে ২০০১ সালের ১৭ জুলাই আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জসীট) দেন। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ পত্র আমলে নিয়ে চার্জ গঠন করে ৬ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে ও যুক্তিতর্ক শেষ আজ চুড়ান্ত রায় প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার সময আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাডভোকেট শাহাব উদ্দিন শাহেদ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ












