০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কয়েলের আগুনে গরু পুড়ে ছাঁই: অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ১৩ টি বাড়ির মানুষ !

শরীয়তপুরের আংগারিয়া ইউনিয়নের মশার কয়েল থেকে গোয়াল ঘরে আগুন লেগে গরু পুড়ে
ছাঁই। অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ১৩ টি বাড়ির প্রায় শতাধিক মানুষ। বুধবার রাতে এঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী বলেন, ৪ নং নিয়ামতপুর গ্রামে দরিদ্র কৃষক হাবিবুর রহমান খান (৬৫) এর বাড়ি
গোয়ালঘর সহ পাকঘর পুড়ে ছাঁয় হয়ে যায়। সেই সাথে গরুঘরে থাকা একটি গাইগরু ও
বাছুর পুড়ে ছাঁয় হয়ে যায় এবং একটি ৫মাসের গাভিন গরুশরীরে অর্ধেক পুড়ে গিয়ে কোন
রকম বেঁচে আছে। প্রতিবেশী আনোয়ার খান বলেন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ১৩ টি বাড়ির প্রায়
শতাধিক মানুষ। কয়েল এর আগুনে রান্নাঘর সহ গরু ঘর আগুন লেগে ৩টা গরু পুড়ে ছাঁই।
গ্রামবাসী আগুন না নিভালে। এলাকার প্রায় ১৩ টি ঘর পুড়ে ছাঁই হয়ে যেতো। লোকটি গরিব
মানুষ। আমি আপনাদের মাধ্যমে স্থানীয় এমপির সাহায্য কামনা করছি।

ভুক্তভোগি কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে আগুন লাগে। আগুনে পুড়ে
আমার গরু ছাগল বছুর পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে করে আমার ৬ লক্ষটাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আমি এখন আর কাজ কর্ম করতে পারি না। ছেলে ভাড়ায় আটোবাইক চালায় সেই ইনকাম দিয়ে
ছেলের সংসার সহ আমাদের খাওয়ায়। আমি সরকার ও স্থানীয় এমপির কাছে সাহায্য কামনা
করেছি। আমার ছেলের বউ গর্ভবতী। আগুনের তাপে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সদর হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ প্রান্ত

জনপ্রিয়

কয়েলের আগুনে গরু পুড়ে ছাঁই: অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ১৩ টি বাড়ির মানুষ !

প্রকাশিত : ০৪:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০

শরীয়তপুরের আংগারিয়া ইউনিয়নের মশার কয়েল থেকে গোয়াল ঘরে আগুন লেগে গরু পুড়ে
ছাঁই। অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ১৩ টি বাড়ির প্রায় শতাধিক মানুষ। বুধবার রাতে এঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী বলেন, ৪ নং নিয়ামতপুর গ্রামে দরিদ্র কৃষক হাবিবুর রহমান খান (৬৫) এর বাড়ি
গোয়ালঘর সহ পাকঘর পুড়ে ছাঁয় হয়ে যায়। সেই সাথে গরুঘরে থাকা একটি গাইগরু ও
বাছুর পুড়ে ছাঁয় হয়ে যায় এবং একটি ৫মাসের গাভিন গরুশরীরে অর্ধেক পুড়ে গিয়ে কোন
রকম বেঁচে আছে। প্রতিবেশী আনোয়ার খান বলেন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ১৩ টি বাড়ির প্রায়
শতাধিক মানুষ। কয়েল এর আগুনে রান্নাঘর সহ গরু ঘর আগুন লেগে ৩টা গরু পুড়ে ছাঁই।
গ্রামবাসী আগুন না নিভালে। এলাকার প্রায় ১৩ টি ঘর পুড়ে ছাঁই হয়ে যেতো। লোকটি গরিব
মানুষ। আমি আপনাদের মাধ্যমে স্থানীয় এমপির সাহায্য কামনা করছি।

ভুক্তভোগি কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে আগুন লাগে। আগুনে পুড়ে
আমার গরু ছাগল বছুর পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে করে আমার ৬ লক্ষটাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আমি এখন আর কাজ কর্ম করতে পারি না। ছেলে ভাড়ায় আটোবাইক চালায় সেই ইনকাম দিয়ে
ছেলের সংসার সহ আমাদের খাওয়ায়। আমি সরকার ও স্থানীয় এমপির কাছে সাহায্য কামনা
করেছি। আমার ছেলের বউ গর্ভবতী। আগুনের তাপে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সদর হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ প্রান্ত