১২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

লালমনিরহাটে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহারিত যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান

লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের বুদার বাঁশের তল নামক এলাকায় মাটির নিচ থেকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহারিত যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জমি খনন করার সময় ওই এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম এর সন্ধান পান।
পরে শনিবার সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিমান বাহিনীর সদস্যরা মাটির নিচ হতে ১টি ফুয়েল বার্নিং এডজাস্ট, ২টি লেন্ডিং এয়ার, ১টি ট্রোপেলার ইঞ্জিনসহ কিছু সংখ্যক এয়ারক্রাফট ও এ্যামুনেশন উত্তোলন করেছে।
জানা যায়, ১৬ অক্টোবর সকাল থেকে ঐ এলাকার মৃত: আব্দুস সোবাহান বাবুর ছেলে রেজাউল করিমের ৭০ শতাংশ একটি উচু জমি চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য শ্রমিক দিয়ে খনন কাজ শুরু করে। দুপুরে মাটি খননের সময় শ্রমিকরা একটি লোহার অংশ দেখতে পায়। শ্রমিকরা লোহার অংশটি উত্তোলনের পরে তাদের মনে বিমানের অংশবিশেষ সন্দেহ হলে তারা বিমান বাহিনী লালমনিরহাট জেলা ইউনিটকে অবহিত করে। সন্ধ্যায় বিমান বাহিনীর সদস্যগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরিক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পারে এটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ।
জমির মালিক রেজাউল করিম জানান, আমি বাবা-দাদার মুখে গল্প শুনে ছিলাম এক সময় এখানে একটি যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিলো। আমি জানতাম না যে, আমার জমিতে এই বিমানটি পাওয়া যাবে। খননের সময় শ্রমিকরা দেখে আমাকে জানালে আমি বিষয়টি বিমান বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করি।
এ ব্যাপারে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা কিছু বলতে পারছি না। উদ্ধার কাজ শেষ হলে আইএসপিআর কর্তৃক সকল তথ্য প্রকাশ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

লালমনিরহাটে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহারিত যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান

প্রকাশিত : ০৪:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের বুদার বাঁশের তল নামক এলাকায় মাটির নিচ থেকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহারিত যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জমি খনন করার সময় ওই এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম এর সন্ধান পান।
পরে শনিবার সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিমান বাহিনীর সদস্যরা মাটির নিচ হতে ১টি ফুয়েল বার্নিং এডজাস্ট, ২টি লেন্ডিং এয়ার, ১টি ট্রোপেলার ইঞ্জিনসহ কিছু সংখ্যক এয়ারক্রাফট ও এ্যামুনেশন উত্তোলন করেছে।
জানা যায়, ১৬ অক্টোবর সকাল থেকে ঐ এলাকার মৃত: আব্দুস সোবাহান বাবুর ছেলে রেজাউল করিমের ৭০ শতাংশ একটি উচু জমি চাষাবাদের উপযোগী করার জন্য শ্রমিক দিয়ে খনন কাজ শুরু করে। দুপুরে মাটি খননের সময় শ্রমিকরা একটি লোহার অংশ দেখতে পায়। শ্রমিকরা লোহার অংশটি উত্তোলনের পরে তাদের মনে বিমানের অংশবিশেষ সন্দেহ হলে তারা বিমান বাহিনী লালমনিরহাট জেলা ইউনিটকে অবহিত করে। সন্ধ্যায় বিমান বাহিনীর সদস্যগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরিক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পারে এটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ।
জমির মালিক রেজাউল করিম জানান, আমি বাবা-দাদার মুখে গল্প শুনে ছিলাম এক সময় এখানে একটি যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিলো। আমি জানতাম না যে, আমার জমিতে এই বিমানটি পাওয়া যাবে। খননের সময় শ্রমিকরা দেখে আমাকে জানালে আমি বিষয়টি বিমান বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করি।
এ ব্যাপারে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা কিছু বলতে পারছি না। উদ্ধার কাজ শেষ হলে আইএসপিআর কর্তৃক সকল তথ্য প্রকাশ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ