০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

মুরাদনগরে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে আটক ২

কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘোড়াশাল আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে বিদ্যুৎসাহী ও অভিভাবক সদস্যকে আটক করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে আবদুল বাক্কী (৪০) ও একই ইউনিয়নের করকটিয়া গ্রামের মৃত আবদুল বাতেন মিয়ার ছেলে আয়নল হক ওরফে শিবু (৪০)।

মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ঘোড়াশাল আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সাথে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য আবদুল বাক্কী ও অভিভাবক সদস্য আয়নল হক শিবুর সাথে বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন দোকান ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে দ্বন্দ চলে আসছিলো। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি ভবন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২লক্ষ টাকা বিক্রি করে। সেখান থেকেও ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন বাক্কি ও শিবু। এদিকে ১৭ই অক্টোবর উক্ত বিদ্যালয়ের শূন্যপদে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দিন ধার্য্য হয়। নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ১৪ই অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে বাক্কী ও শিবুসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩জন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের রুমে প্রবেশ করে। এসময় তাদের পছন্দের ব্যাক্তিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে গালগাল করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রধান শিক্ষককে মারধরসহ লাঞ্চিত করে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এব্যাপারে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায় নিজ এলাকায় আতংক সৃষ্টিকারী আবদুল বাক্কীরের গ্রেফতারের খবরে ঘোড়াশাল গ্রামের বিভিন্নস্থানে আনন্দ উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

মুরাদনগরে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে আটক ২

প্রকাশিত : ০৩:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘোড়াশাল আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে বিদ্যুৎসাহী ও অভিভাবক সদস্যকে আটক করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে আবদুল বাক্কী (৪০) ও একই ইউনিয়নের করকটিয়া গ্রামের মৃত আবদুল বাতেন মিয়ার ছেলে আয়নল হক ওরফে শিবু (৪০)।

মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ঘোড়াশাল আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সাথে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য আবদুল বাক্কী ও অভিভাবক সদস্য আয়নল হক শিবুর সাথে বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন দোকান ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে দ্বন্দ চলে আসছিলো। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি ভবন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২লক্ষ টাকা বিক্রি করে। সেখান থেকেও ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন বাক্কি ও শিবু। এদিকে ১৭ই অক্টোবর উক্ত বিদ্যালয়ের শূন্যপদে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দিন ধার্য্য হয়। নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ১৪ই অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে বাক্কী ও শিবুসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩জন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের রুমে প্রবেশ করে। এসময় তাদের পছন্দের ব্যাক্তিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে গালগাল করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রধান শিক্ষককে মারধরসহ লাঞ্চিত করে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এব্যাপারে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায় নিজ এলাকায় আতংক সৃষ্টিকারী আবদুল বাক্কীরের গ্রেফতারের খবরে ঘোড়াশাল গ্রামের বিভিন্নস্থানে আনন্দ উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর