০১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লালমনিরহাটে জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতার জিডি!

লালমনিরহাট জেলা পরিষদ সদস্য আবু আল মুসা কুতুব মিন্টুর(৫৫) দেয়া প্রাণনাশের হুমকীতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারন ডায়েরী(জিডি) করেছেন যুবলীগের এক নেতা।
বুধবার(২১ অক্টোবর) দিনগত মধ্যরাতে জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় জিডি করেন জেলা যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মজনু আলী শেখ। অভিযুক্ত আবু আল মুসা কুতুব মিন্টু আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের মহিষাশহর গ্রামের মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি লালমনিরহাট জেলা পরিষদের সদস্য।
জিডি সুত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা এলাকার বাসিন্দা জেলা যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মজনু আলী শেখকে গত ১৯ অক্টোবর রাত ১১ টার দিকে ব্যাক্তিগত মোবাইল থেকে ফোন করেন জেলা পরিষদের সদস্য আবু আল মুসা কুতুব মিন্টু। ফোন করেই যুবলীগ নেতা মজনুকে প্রাণনাশের হুমকী প্রাদান করেন। এক পর্যায়ে জেলা পরিষদ সদস্য মিন্টু যুবলীগ নেতা মজনুকে ফোনে বলেন,‘আগমীকাল যাক যেখানেই পাবো, তার সেখানেই গলা কেটে ফেলবো। মহিষাশহরের মানুষ তাদের মাংস ঠুকরো করে খাবে।’ এবং তার পরিবারকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। হুমকী দেয়ার কথা বার্তা সবগুলো রেকর্ড করে রাখেন মজনু। যা সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা পরিষদের সদস্যের বিচার দাবী জানান এলাকাবাসী। যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মজনু আলী শেখ বলেন, পরিবারসহ আমাকে হুমকী প্রদান করায় আইনের আশ্রয় নিয়েছি। একজন জেলা পরিষদের সদস্য হয়ে কীভাবে আমাকে প্রক্যশ্যে গলাকেটে নেওয়ার হুমকি দেন? প্রশাসনের কাছে আমার জোর দাবি, হুমকিদাতার দেশীয় অস্ত্রের সন্ধান ও আমাকে প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে তাঁকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। এ ঘটনার পর থেকে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুগছি।
অভিযুক্ত হুমকিদাতা জেলা পরিষদ সদস্য আবু আল মুসা কুতুব মিন্টুকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্থতা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।
কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি জিডি হিসেবে নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

লালমনিরহাটে জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতার জিডি!

প্রকাশিত : ০৪:১৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

লালমনিরহাট জেলা পরিষদ সদস্য আবু আল মুসা কুতুব মিন্টুর(৫৫) দেয়া প্রাণনাশের হুমকীতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারন ডায়েরী(জিডি) করেছেন যুবলীগের এক নেতা।
বুধবার(২১ অক্টোবর) দিনগত মধ্যরাতে জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় জিডি করেন জেলা যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মজনু আলী শেখ। অভিযুক্ত আবু আল মুসা কুতুব মিন্টু আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের মহিষাশহর গ্রামের মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি লালমনিরহাট জেলা পরিষদের সদস্য।
জিডি সুত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা এলাকার বাসিন্দা জেলা যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মজনু আলী শেখকে গত ১৯ অক্টোবর রাত ১১ টার দিকে ব্যাক্তিগত মোবাইল থেকে ফোন করেন জেলা পরিষদের সদস্য আবু আল মুসা কুতুব মিন্টু। ফোন করেই যুবলীগ নেতা মজনুকে প্রাণনাশের হুমকী প্রাদান করেন। এক পর্যায়ে জেলা পরিষদ সদস্য মিন্টু যুবলীগ নেতা মজনুকে ফোনে বলেন,‘আগমীকাল যাক যেখানেই পাবো, তার সেখানেই গলা কেটে ফেলবো। মহিষাশহরের মানুষ তাদের মাংস ঠুকরো করে খাবে।’ এবং তার পরিবারকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। হুমকী দেয়ার কথা বার্তা সবগুলো রেকর্ড করে রাখেন মজনু। যা সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা পরিষদের সদস্যের বিচার দাবী জানান এলাকাবাসী। যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মজনু আলী শেখ বলেন, পরিবারসহ আমাকে হুমকী প্রদান করায় আইনের আশ্রয় নিয়েছি। একজন জেলা পরিষদের সদস্য হয়ে কীভাবে আমাকে প্রক্যশ্যে গলাকেটে নেওয়ার হুমকি দেন? প্রশাসনের কাছে আমার জোর দাবি, হুমকিদাতার দেশীয় অস্ত্রের সন্ধান ও আমাকে প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে তাঁকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। এ ঘটনার পর থেকে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুগছি।
অভিযুক্ত হুমকিদাতা জেলা পরিষদ সদস্য আবু আল মুসা কুতুব মিন্টুকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্থতা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।
কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি জিডি হিসেবে নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ