০৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ১০ জায়গায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে

করোনার এই সময়েও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা পুরনো ছকেই থাকছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের মতো করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। বড় আরো চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ও সেদিকে যাচ্ছে। অর্থাৎ বড় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউই গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তির ব্যাপারে আগ্রহী নয়। তারা এ পদ্ধতিতে না এলে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়বে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও। ফলে করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের দৌড়াতে হবে সারা দেশে। একজন শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ১০ জায়গায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, করোনার কারণে বাতিল করা হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা। জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক পরীক্ষার (এসএসসি) ফলের ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে। জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া। আর এই সময়েই অর্থাৎ শীতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার আশঙ্কা করছে সরকার। অথচ তখনই ভর্তি পরীক্ষার জন্য দেশের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে দৌড়াতে হবে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের। তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা কেন নেওয়া হলো না?

গত ২১ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের সভায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব আসে। সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়াতে বিভাগীয় শহরেও কেন্দ্র করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তের পর বড় অন্য চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ও একই পথে হাঁটছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী-অভিভাবকের ভোগান্তি লাঘব এবং করোনার বিষয়টি আমরা চিন্তা করছি। এ জন্যই আমাদের ডিনবৃন্দ বিভাগীয় শহরেও পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত করবে ভর্তি কমিটি।’ কেন আপনারা গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসছেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা ১০০ বছরের পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের বিভিন্ন পরিকল্পনা করেই এগোতে হয়। নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তটাও আমাদের আগে থেকেই নেওয়া।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ১০ জায়গায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে

প্রকাশিত : ০৭:১১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০

করোনার এই সময়েও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা পুরনো ছকেই থাকছে। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের মতো করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। বড় আরো চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ও সেদিকে যাচ্ছে। অর্থাৎ বড় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউই গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তির ব্যাপারে আগ্রহী নয়। তারা এ পদ্ধতিতে না এলে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়বে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও। ফলে করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের দৌড়াতে হবে সারা দেশে। একজন শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ১০ জায়গায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, করোনার কারণে বাতিল করা হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা। জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক পরীক্ষার (এসএসসি) ফলের ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে। জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া। আর এই সময়েই অর্থাৎ শীতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার আশঙ্কা করছে সরকার। অথচ তখনই ভর্তি পরীক্ষার জন্য দেশের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে দৌড়াতে হবে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের। তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা কেন নেওয়া হলো না?

গত ২১ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের সভায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব আসে। সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়াতে বিভাগীয় শহরেও কেন্দ্র করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তের পর বড় অন্য চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ও একই পথে হাঁটছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী-অভিভাবকের ভোগান্তি লাঘব এবং করোনার বিষয়টি আমরা চিন্তা করছি। এ জন্যই আমাদের ডিনবৃন্দ বিভাগীয় শহরেও পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত করবে ভর্তি কমিটি।’ কেন আপনারা গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসছেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা ১০০ বছরের পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের বিভিন্ন পরিকল্পনা করেই এগোতে হয়। নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তটাও আমাদের আগে থেকেই নেওয়া।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর