০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ অতঃপর গুম

ঝালকাঠিতে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার পর গুম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বাপারে ঝালকাঠি থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে এজাহার দিলেও তা গৃহীত হয়নি। গত ১০ জানুয়ারী দুপুরে সদর উপজেলার নবগ্রামের মকরমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী মকরমপুর দরবার শরীফ দাখিল মাদাসায় পড়াশোনা করে। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে স্থানীয় মুখোশধারী বখাটে পার্শ্ববর্তী আজগর সরদারের ছেলে শহীদ সরদার (২২) প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি অসহায় পিতা নুরুল আমিন মাদাসার কর্তৃপক্ষকে জানালে তাতে শহীদ সরদার ক্ষিপ্ত হয়ে ১০ জানুয়ারী দুপুরে ওই ছাত্রীর মুখ চেঁপে ধরে ওড়না পেঁচিয়ে নির্জন ভিটায় নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পরে তাকে বেঁধে মাইক্রোতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত তামান্নাকে খুঁজে না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগী পিতা।

ঝালকাঠি সদর থানার এসআই হানিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কিন্তু অপহৃত তামান্নাকে জীবিত অথবা মৃত উদ্ধার করতে পারেননি। মুঠোফোনে এস আই হানিফ জানান, ঘটনা সত্য এবং এজাহার অবশ্যই এফআইআর হবে।

এ ব্যাপারে ওসি তাজুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, ঘটনাস্থল এসআই হানিফ পরিদর্শন করেন। তিনি বর্তমানে রাস্ট্রপতির প্রোটোকলে ভোলায় থাকায় এজাহার নেওয়া সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসী অবশ্য জানিয়েছেন বখাটে শহীদ সরদার এলাকায় বিভিন্ন কুকর্ম করে বেড়ায় আর এতে সহায়তা করে তার নিকটতম আত্মীয় বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার রাজ্জাকপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের ছেলে রিয়াজুল।

ওই ছাত্রীর পিতা সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়েকে তুলে নিয়ে তার আত্মীয় বানারীপাড়ার রিয়াজুলের বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে রিয়াজুুলসহ একাধিক ব্যক্তি গণধর্ষণ করিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করেছে বলে আশংকা করছেন তিনি। তিনি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এদিকে পুলিশ সুপার মোঃ জোবায়েদুর রহমান বিষয়টি জানেন না বলে অভিহিত করেন। তবে তিনি বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে স্থানীয় সচেতন মহল এ বিষয়ে মানববন্ধন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ অতঃপর গুম

প্রকাশিত : ০৮:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

ঝালকাঠিতে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার পর গুম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বাপারে ঝালকাঠি থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে এজাহার দিলেও তা গৃহীত হয়নি। গত ১০ জানুয়ারী দুপুরে সদর উপজেলার নবগ্রামের মকরমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী মকরমপুর দরবার শরীফ দাখিল মাদাসায় পড়াশোনা করে। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে স্থানীয় মুখোশধারী বখাটে পার্শ্ববর্তী আজগর সরদারের ছেলে শহীদ সরদার (২২) প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি অসহায় পিতা নুরুল আমিন মাদাসার কর্তৃপক্ষকে জানালে তাতে শহীদ সরদার ক্ষিপ্ত হয়ে ১০ জানুয়ারী দুপুরে ওই ছাত্রীর মুখ চেঁপে ধরে ওড়না পেঁচিয়ে নির্জন ভিটায় নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পরে তাকে বেঁধে মাইক্রোতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত তামান্নাকে খুঁজে না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগী পিতা।

ঝালকাঠি সদর থানার এসআই হানিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কিন্তু অপহৃত তামান্নাকে জীবিত অথবা মৃত উদ্ধার করতে পারেননি। মুঠোফোনে এস আই হানিফ জানান, ঘটনা সত্য এবং এজাহার অবশ্যই এফআইআর হবে।

এ ব্যাপারে ওসি তাজুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, ঘটনাস্থল এসআই হানিফ পরিদর্শন করেন। তিনি বর্তমানে রাস্ট্রপতির প্রোটোকলে ভোলায় থাকায় এজাহার নেওয়া সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসী অবশ্য জানিয়েছেন বখাটে শহীদ সরদার এলাকায় বিভিন্ন কুকর্ম করে বেড়ায় আর এতে সহায়তা করে তার নিকটতম আত্মীয় বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার রাজ্জাকপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের ছেলে রিয়াজুল।

ওই ছাত্রীর পিতা সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়েকে তুলে নিয়ে তার আত্মীয় বানারীপাড়ার রিয়াজুলের বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে রিয়াজুুলসহ একাধিক ব্যক্তি গণধর্ষণ করিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করেছে বলে আশংকা করছেন তিনি। তিনি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এদিকে পুলিশ সুপার মোঃ জোবায়েদুর রহমান বিষয়টি জানেন না বলে অভিহিত করেন। তবে তিনি বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে স্থানীয় সচেতন মহল এ বিষয়ে মানববন্ধন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।