১০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করায় কাজীর সহযোগীকে ৬ মাসের জেল

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করায় কাজীর সহযোগীকে ৬ মাসের জেল দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১/১১/২০২০)বিকেলে পুলিশ অভিযুক্ত হান্নান শেখ কে আটক করে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কক্ষে নিয়ে আসে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে হান্নান শেখ কে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। হান্নান দীর্ঘদিন যাবত হোসেনপুর ইউনিয়নের কাজী মেহেদী হাসানের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিল। জানা যায়, কিছুদিন আগে ইমরান শেখের কনের বিবাহ ঠিক করে। এ খবর পেয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ইমরান সেখ কে ডেকে এনে “প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিবাহ দিবেন না” এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে যায়। কিন্তু কয়েক দিন না যেতেই ইমরান শেখ গোপনে তার ওই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিবাহ দিয়ে দেয়। আর এ বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করেন হোসেনপুর ইউনিয়নের কাজী মেহেদী হাসান এর সহযোগী তাতিকান্দা গ্রামের একটি মসজিদের ইমাম হান্নান শেখ। রাজৈর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার কনা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করায় কাজীর সহযোগীকে ৬ মাসের জেল

প্রকাশিত : ০৬:২২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২০

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করায় কাজীর সহযোগীকে ৬ মাসের জেল দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১/১১/২০২০)বিকেলে পুলিশ অভিযুক্ত হান্নান শেখ কে আটক করে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কক্ষে নিয়ে আসে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে হান্নান শেখ কে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। হান্নান দীর্ঘদিন যাবত হোসেনপুর ইউনিয়নের কাজী মেহেদী হাসানের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিল। জানা যায়, কিছুদিন আগে ইমরান শেখের কনের বিবাহ ঠিক করে। এ খবর পেয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ইমরান সেখ কে ডেকে এনে “প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিবাহ দিবেন না” এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে যায়। কিন্তু কয়েক দিন না যেতেই ইমরান শেখ গোপনে তার ওই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিবাহ দিয়ে দেয়। আর এ বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করেন হোসেনপুর ইউনিয়নের কাজী মেহেদী হাসান এর সহযোগী তাতিকান্দা গ্রামের একটি মসজিদের ইমাম হান্নান শেখ। রাজৈর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার কনা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ