০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্পেন প্রবাসীদের দ্বারপ্রান্তে কনস্যুলেট সেবা

কোভিড-১৯ মহামারির ঝুঁকি মাথায় নিয়েই স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার ব্যস্ত সময় পার করছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে সব ধরনের সেবাদানের কাজে।

দেশটির রাজধানী মাদ্রিদ থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পালমা দে মায়োরকা দ্বীপটি। এখানে হাজারখানেক প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস। যাতায়াতও ব্যয়বহুল। শিপ কিংবা বিমানে ছাড়া বিকল্প কোনো পরিবহন না থাকায় মাদ্রিদ থেকে দ্বীপটিতে যেতে খরচ হয় প্রায় ২৫০ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার টাকা)।

প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময় বাঁচাতেই রাষ্ট্রদূত উদ্যোগ নিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবার। বছরে দুইবার পালমা দে মায়োরকাতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সেই লক্ষ্যে নভেম্বরের ৭ ও ৮ তারিখ সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত দ্বীপটির ‘বাসমতী রেস্টুরেন্টে’ (কাইয়্যা দে কারো ৭,০৭০১৩ পালমা) কনস্যুলেট সেবা দেয়া হয়।

সেবা কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে- নবজাতকদের পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ, মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এমন ডিজিটাল পাসপোর্টের রি-ইস্যুর আবেদন গ্রহণ, হাতে লেখা পাসপোর্টধারীদের নতুন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি নেয়া, সব ধরনের ভিসার আবেদন,বাংলাদেশি স্প্যানিশ পাসপোর্টে নো-ভিসা রিকোয়ার্ড আবেদন গ্রহন,পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন সত্যায়ন,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়নসহ যাবতীয় সনদের আবেদন গ্রহণ।

এই সেবার বিষয়ে বাসমতি রেস্টুরেন্টের মালিক মো. শাহীন বলেন, দূতাবাসের এই কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এই সেবার ফলে একদিকে দ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি কর্মব্যস্ত মানুষের শারীরিক ও মানসিক কষ্ট লাঘব হয়েছে।

এই সেবা অব্যহত রাখার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

দূতাবাসের কর্মকর্তা প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মুতাসিমুল ইসলামের নেতৃত্বে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রেজা শাহ পাহলভী এবং অফিস সহকারী (শ্রম উইং) মো. শফিকুল ইসলাম এই কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এ বিষয়ে স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, ‘প্রবাসীদের সেবা প্রদানের জন্যই মূলত সরকার আমাকে এখানে পাঠিয়েছে। আমার লক্ষ্য জনগণের দ্বারপ্রান্তে সর্বোচ্চ সেবা পৌঁছে দেয়া। কারণ এই প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের কষ্টার্জিত অর্থে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। তাই প্রবাসীদের সার্বিক বিষয়গুলো আমরা খুব আন্তরিকতার সাথেই দেখি। পালমা দে মায়োরকায় বছরে দুইবার এবং বার্সেলোনায় বছরে ৬ বার আমাদের দূতাবাস টিম প্রবাসীদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে সেবা দিয়ে আসছে। এতে প্রবাসীদের অর্থ এবং সময় দুই-ই বেঁচে যাচ্ছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

স্পেন প্রবাসীদের দ্বারপ্রান্তে কনস্যুলেট সেবা

প্রকাশিত : ০৩:১৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

কোভিড-১৯ মহামারির ঝুঁকি মাথায় নিয়েই স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার ব্যস্ত সময় পার করছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে সব ধরনের সেবাদানের কাজে।

দেশটির রাজধানী মাদ্রিদ থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পালমা দে মায়োরকা দ্বীপটি। এখানে হাজারখানেক প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস। যাতায়াতও ব্যয়বহুল। শিপ কিংবা বিমানে ছাড়া বিকল্প কোনো পরিবহন না থাকায় মাদ্রিদ থেকে দ্বীপটিতে যেতে খরচ হয় প্রায় ২৫০ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার টাকা)।

প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময় বাঁচাতেই রাষ্ট্রদূত উদ্যোগ নিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবার। বছরে দুইবার পালমা দে মায়োরকাতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সেই লক্ষ্যে নভেম্বরের ৭ ও ৮ তারিখ সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত দ্বীপটির ‘বাসমতী রেস্টুরেন্টে’ (কাইয়্যা দে কারো ৭,০৭০১৩ পালমা) কনস্যুলেট সেবা দেয়া হয়।

সেবা কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে- নবজাতকদের পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ, মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এমন ডিজিটাল পাসপোর্টের রি-ইস্যুর আবেদন গ্রহণ, হাতে লেখা পাসপোর্টধারীদের নতুন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি নেয়া, সব ধরনের ভিসার আবেদন,বাংলাদেশি স্প্যানিশ পাসপোর্টে নো-ভিসা রিকোয়ার্ড আবেদন গ্রহন,পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন সত্যায়ন,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়নসহ যাবতীয় সনদের আবেদন গ্রহণ।

এই সেবার বিষয়ে বাসমতি রেস্টুরেন্টের মালিক মো. শাহীন বলেন, দূতাবাসের এই কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এই সেবার ফলে একদিকে দ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি কর্মব্যস্ত মানুষের শারীরিক ও মানসিক কষ্ট লাঘব হয়েছে।

এই সেবা অব্যহত রাখার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

দূতাবাসের কর্মকর্তা প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মুতাসিমুল ইসলামের নেতৃত্বে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রেজা শাহ পাহলভী এবং অফিস সহকারী (শ্রম উইং) মো. শফিকুল ইসলাম এই কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এ বিষয়ে স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, ‘প্রবাসীদের সেবা প্রদানের জন্যই মূলত সরকার আমাকে এখানে পাঠিয়েছে। আমার লক্ষ্য জনগণের দ্বারপ্রান্তে সর্বোচ্চ সেবা পৌঁছে দেয়া। কারণ এই প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের কষ্টার্জিত অর্থে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। তাই প্রবাসীদের সার্বিক বিষয়গুলো আমরা খুব আন্তরিকতার সাথেই দেখি। পালমা দে মায়োরকায় বছরে দুইবার এবং বার্সেলোনায় বছরে ৬ বার আমাদের দূতাবাস টিম প্রবাসীদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে সেবা দিয়ে আসছে। এতে প্রবাসীদের অর্থ এবং সময় দুই-ই বেঁচে যাচ্ছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক