০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘লালজমিন’র ২৫০তম মঞ্চায়ন ১১ নভেম্বর

বহুল প্রশংসিত নাটক ‘লালজমিন’ নাটক এখন ২৫০তম মঞ্চায়নের অপেক্ষায়। ২৫০তম মঞ্চায়নটি হচ্ছে ১১নভেম্বর গাইবান্ধায় পুলিশ লাইনে। ১২নভেম্বর একই জেলায় নাটকটির ২৫১তম প্রদর্শনী হবে গাইবান্ধা থিয়েটারের আয়োজনে। বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন নিথর মাহবুব।

মান্না হীরা রচিত এবং সুদীপ চক্রবর্তী নির্দেশিত ‘লালজমিন’ নাটকটিতে একক অভিনয় করেন মোমেনা চৌধুরী। ২০১১ সালের ১৯ মে নাটমন্ডলে ‘লালজমিন’ নাটকটি প্রথম মঞ্চায়ন হয়। সেই থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ও বিদেশের মাটিতে একের পর এক নাটকটির মঞ্চায়ন হয়ে আসছে। ‘লালজমিন’ নাটকের গল্প মুক্তিযুদ্ধের একটি খন্ড-চিত্রের বয়ান। মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন কিশোরীর অংশগ্রহণ, গল্পের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের ভয়াবহতা, মেয়েটির ত্যাগ- সবশেষে স্বাধীনতা অর্জন; দর্শকদের এক নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখে দাঁড় করিয়ে দেয় ‘লালজমিন’।

নাটকটির ২০৫০তম মঞ্চায়ন নিয়ে মোমেনা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমার অভিনীত নাটক ‘লালজমিন’ ২৫০তম প্রদর্শনী আমার অভিনয় জীবনে অনেক বড় আনন্দের প্রাপ্তি। তবে এই আনন্দের সঙ্গে মন খারাপের বিষয় হল কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে ২৫০তম প্রদর্শনীর আনন্দঘন মুহুর্তে দলের সব সদস্যদের পাচ্ছি না। কিছু সীমাকদ্ধতার কারণে শূন্যনের মাত্র পাঁচজন সদস্য আজ আমরা ২৫০তম মঞ্চায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধা যাচ্ছি। আমার খুব ইচ্ছে ছিল দলের সব সদস্যদের নিয়ে আমার নিজের জেলা বগুড়াতে ২৫০তম প্রদর্শনীটি করব। এমনই প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু তার আগেই হঠাৎ এই দুটি প্রদর্শনীর আমন্ত্রণ চলে আসে। তবে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই নাট্যকার মান্নান হীরা, নির্দেশক সুদীপ চক্রবর্তী, মঞ্চায়ন সহযোগিতার জন্য জুলফিকার চঞ্চল, রাজু, নভেরা, নীলা, আতিক, জয়, সাকিব, জুয়েল, সানি, মেহেদী, নিথর মাহবুব, মামুন, জিহাদ, সাজিদ, বাসার, মাহবুব সহ নাটকটির সঙ্গে এযাবৎ সমৃক্ত থাকা সবাইকে। তারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছেন ‘লালজমিন’ নিয়ে এতোটা পথ আসতে।’

মোমেনা আরো বলেন, ‘ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় শূন্যন রেপর্টরি থিয়েটারকে বিদেশ এবং দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘লালজমিন’ মঞ্চায়নের লক্ষ্যে অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করে আমাদের উৎসাহ বহুগূণ বাড়িয়ে দিয়েছে। কৃতজ্ঞতা জানাই বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামন নূর এম.পি-কে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রকেও আমাদের এই যাত্রায় পাশে পেয়েছি। আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের উদ্যোগে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লালজমিন’ মঞ্চায়নের সুযোগ হয়েছে। কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বপিএম(বার) পিপিএ এর কাছে। যিনি উদ্যোগ নিয়েছেন বিভিন্ন পুলিশ লাইনে ‘লালজমিন’ মঞ্চায়নের। বিশেষ কৃতজ্ঞতা গণপ্রজাকন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে। তিনি ১৬এপ্রিল ২০১৯ বঙ্গভবনে আমাদের ‘লালজমিন’ প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছেন। কৃতজ্ঞতা আমার আরণ্যক নাট্যদলের কাছে। সর্বপরি বাংলাদেশের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ লাইন, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান ও ‘লালজমিন’ নাটকের দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

‘লালজমিন’র ২৫০তম মঞ্চায়ন ১১ নভেম্বর

প্রকাশিত : ০৫:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর ২০২০

বহুল প্রশংসিত নাটক ‘লালজমিন’ নাটক এখন ২৫০তম মঞ্চায়নের অপেক্ষায়। ২৫০তম মঞ্চায়নটি হচ্ছে ১১নভেম্বর গাইবান্ধায় পুলিশ লাইনে। ১২নভেম্বর একই জেলায় নাটকটির ২৫১তম প্রদর্শনী হবে গাইবান্ধা থিয়েটারের আয়োজনে। বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন নিথর মাহবুব।

মান্না হীরা রচিত এবং সুদীপ চক্রবর্তী নির্দেশিত ‘লালজমিন’ নাটকটিতে একক অভিনয় করেন মোমেনা চৌধুরী। ২০১১ সালের ১৯ মে নাটমন্ডলে ‘লালজমিন’ নাটকটি প্রথম মঞ্চায়ন হয়। সেই থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ও বিদেশের মাটিতে একের পর এক নাটকটির মঞ্চায়ন হয়ে আসছে। ‘লালজমিন’ নাটকের গল্প মুক্তিযুদ্ধের একটি খন্ড-চিত্রের বয়ান। মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন কিশোরীর অংশগ্রহণ, গল্পের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের ভয়াবহতা, মেয়েটির ত্যাগ- সবশেষে স্বাধীনতা অর্জন; দর্শকদের এক নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখে দাঁড় করিয়ে দেয় ‘লালজমিন’।

নাটকটির ২০৫০তম মঞ্চায়ন নিয়ে মোমেনা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমার অভিনীত নাটক ‘লালজমিন’ ২৫০তম প্রদর্শনী আমার অভিনয় জীবনে অনেক বড় আনন্দের প্রাপ্তি। তবে এই আনন্দের সঙ্গে মন খারাপের বিষয় হল কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে ২৫০তম প্রদর্শনীর আনন্দঘন মুহুর্তে দলের সব সদস্যদের পাচ্ছি না। কিছু সীমাকদ্ধতার কারণে শূন্যনের মাত্র পাঁচজন সদস্য আজ আমরা ২৫০তম মঞ্চায়নের লক্ষ্যে গাইবান্ধা যাচ্ছি। আমার খুব ইচ্ছে ছিল দলের সব সদস্যদের নিয়ে আমার নিজের জেলা বগুড়াতে ২৫০তম প্রদর্শনীটি করব। এমনই প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু তার আগেই হঠাৎ এই দুটি প্রদর্শনীর আমন্ত্রণ চলে আসে। তবে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই নাট্যকার মান্নান হীরা, নির্দেশক সুদীপ চক্রবর্তী, মঞ্চায়ন সহযোগিতার জন্য জুলফিকার চঞ্চল, রাজু, নভেরা, নীলা, আতিক, জয়, সাকিব, জুয়েল, সানি, মেহেদী, নিথর মাহবুব, মামুন, জিহাদ, সাজিদ, বাসার, মাহবুব সহ নাটকটির সঙ্গে এযাবৎ সমৃক্ত থাকা সবাইকে। তারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছেন ‘লালজমিন’ নিয়ে এতোটা পথ আসতে।’

মোমেনা আরো বলেন, ‘ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় শূন্যন রেপর্টরি থিয়েটারকে বিদেশ এবং দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘লালজমিন’ মঞ্চায়নের লক্ষ্যে অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করে আমাদের উৎসাহ বহুগূণ বাড়িয়ে দিয়েছে। কৃতজ্ঞতা জানাই বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামন নূর এম.পি-কে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রকেও আমাদের এই যাত্রায় পাশে পেয়েছি। আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের উদ্যোগে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লালজমিন’ মঞ্চায়নের সুযোগ হয়েছে। কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বপিএম(বার) পিপিএ এর কাছে। যিনি উদ্যোগ নিয়েছেন বিভিন্ন পুলিশ লাইনে ‘লালজমিন’ মঞ্চায়নের। বিশেষ কৃতজ্ঞতা গণপ্রজাকন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে। তিনি ১৬এপ্রিল ২০১৯ বঙ্গভবনে আমাদের ‘লালজমিন’ প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছেন। কৃতজ্ঞতা আমার আরণ্যক নাট্যদলের কাছে। সর্বপরি বাংলাদেশের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ লাইন, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান ও ‘লালজমিন’ নাটকের দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ