০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নাম প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের চৌয়ারা এলাকার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানী হত্যা মামলা থেকে নির্দোষদের নাম প্রত্যাহার ও প্রকৃত ঘাতকদের আইনের আওতায় আনার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে কুমিল্লা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, মহানগর যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ।

রবিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল বলেন,জিলানী হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ নিয়াজ পাভেল, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ এবং মহানগর সেচ্ছাবেকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিন্টুসহ নির্দোষ অনেক কর্মীর নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একটি ষড়যন্ত্রকারি গ্রুপ এমপি হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার অনুসারিদের ওই মামলায় পরিকল্পিতভাবে জড়িয়েছে।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে যাদেরকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে সেইসব নেতৃবৃন্দ এবং যারা শুরু থেকে এ মামলা নিয়ে নানারকম কুটকৌশলে লিপ্ত তাদের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও ভয়েস রেকর্ড সংগ্রহের মাধ্যমে ঘটনায় প্রত্যেকের অবস্থান এবং তাদের সম্পৃক্ততা চিহ্নিত করার দাবী জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
নিহত জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানী মহানগর আওয়ামী লীগ বা মহানগর যুবলীগের কোন সদস্য নন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল বলেন, ‘কুমিল্লায় ইতিপূর্বের রাজনৈতিক সকল হত্যাকান্ডের সাথে আফজল খান পরিবার জড়িত। জিলানী হত্যা মামলা নিয়েও এই পরিবার নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে। ’

সংবাদ সম্মেলনে এমপি হাজী বাহার অনুসারিদের নাম প্রত্যাহার ও যথাযথ মামলা দায়েরের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করে মূল ঘাতকদের চিহ্নিত করার দাবী জানানো হয়।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কুসিক কাউন্সিলর হাবিবুর আল আমিন সাদী, মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান পিয়াস ও মহানগর যুবলীগ নেতা রোকন উদ্দিন আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে মহানগর  আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা এলাকায় অস্ত্রধারী মোটরসাইকেল আরোহী দুবৃর্ত্তরা জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানীকে উপর্যপরি কুপিয়ে জখম করে। কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নাম প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ০৩:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের চৌয়ারা এলাকার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানী হত্যা মামলা থেকে নির্দোষদের নাম প্রত্যাহার ও প্রকৃত ঘাতকদের আইনের আওতায় আনার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে কুমিল্লা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, মহানগর যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ।

রবিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল বলেন,জিলানী হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ নিয়াজ পাভেল, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ এবং মহানগর সেচ্ছাবেকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিন্টুসহ নির্দোষ অনেক কর্মীর নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একটি ষড়যন্ত্রকারি গ্রুপ এমপি হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার অনুসারিদের ওই মামলায় পরিকল্পিতভাবে জড়িয়েছে।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে যাদেরকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে সেইসব নেতৃবৃন্দ এবং যারা শুরু থেকে এ মামলা নিয়ে নানারকম কুটকৌশলে লিপ্ত তাদের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও ভয়েস রেকর্ড সংগ্রহের মাধ্যমে ঘটনায় প্রত্যেকের অবস্থান এবং তাদের সম্পৃক্ততা চিহ্নিত করার দাবী জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
নিহত জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানী মহানগর আওয়ামী লীগ বা মহানগর যুবলীগের কোন সদস্য নন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল বলেন, ‘কুমিল্লায় ইতিপূর্বের রাজনৈতিক সকল হত্যাকান্ডের সাথে আফজল খান পরিবার জড়িত। জিলানী হত্যা মামলা নিয়েও এই পরিবার নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে। ’

সংবাদ সম্মেলনে এমপি হাজী বাহার অনুসারিদের নাম প্রত্যাহার ও যথাযথ মামলা দায়েরের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করে মূল ঘাতকদের চিহ্নিত করার দাবী জানানো হয়।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কুসিক কাউন্সিলর হাবিবুর আল আমিন সাদী, মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান পিয়াস ও মহানগর যুবলীগ নেতা রোকন উদ্দিন আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে মহানগর  আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা এলাকায় অস্ত্রধারী মোটরসাইকেল আরোহী দুবৃর্ত্তরা জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানীকে উপর্যপরি কুপিয়ে জখম করে। কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ