১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

গবেষণা ও উদ্ভাবনই টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি: যবিপ্রবি উপাচার্য

গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমেই বর্তমান বিশ্বের বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ড. ইয়ারুল কবীর। তিনি বলেন, যুদ্ধ-সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি অনিরাপত্তা ও সম্পদের সীমাবদ্ধতার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণে কেবল নীতিনির্ধারণী আলোচনা নয়, প্রয়োজন কার্যকর গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন।

শুক্রবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়–এর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

উপাচার্য বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে টেকসই পদ্ধতির সমন্বয় এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং ভবিষ্যৎ মানবতার জন্য অপরিহার্য। অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের মতো ক্ষেত্রে প্রকৌশলগত উদ্ভাবন সমাজকে বদলে দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অবশ্যই পরিবেশ সচেতনতা, নৈতিক দায়বদ্ধতা ও সামাজিক সমতার ভিত্তিতে হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। মানুষের কল্যাণ, পরিবেশ সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব রয়েছে দক্ষ ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানী গড়ে তোলার।

কনফারেন্সে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাকিস্তানের ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উসমান গণি খান। তিনি টেকসই উন্নয়নে প্রকৌশল ও প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে গবেষণাভিত্তিক উপস্থাপনা করেন। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন কানাডার মেমোরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব নিউফাউন্ডল্যান্ডের প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম আহমেদ।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গবেষণা ও উদ্ভাবনই টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি: যবিপ্রবি উপাচার্য

প্রকাশিত : ১১:২৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমেই বর্তমান বিশ্বের বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ড. ইয়ারুল কবীর। তিনি বলেন, যুদ্ধ-সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি অনিরাপত্তা ও সম্পদের সীমাবদ্ধতার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণে কেবল নীতিনির্ধারণী আলোচনা নয়, প্রয়োজন কার্যকর গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন।

শুক্রবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়–এর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

উপাচার্য বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে টেকসই পদ্ধতির সমন্বয় এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং ভবিষ্যৎ মানবতার জন্য অপরিহার্য। অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের মতো ক্ষেত্রে প্রকৌশলগত উদ্ভাবন সমাজকে বদলে দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অবশ্যই পরিবেশ সচেতনতা, নৈতিক দায়বদ্ধতা ও সামাজিক সমতার ভিত্তিতে হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। মানুষের কল্যাণ, পরিবেশ সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব রয়েছে দক্ষ ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানী গড়ে তোলার।

কনফারেন্সে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাকিস্তানের ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উসমান গণি খান। তিনি টেকসই উন্নয়নে প্রকৌশল ও প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে গবেষণাভিত্তিক উপস্থাপনা করেন। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন কানাডার মেমোরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব নিউফাউন্ডল্যান্ডের প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম আহমেদ।

ডিএস./