০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

মাগুরায় জমে উঠেছে সুপারির হাট

মাগুরায় সুপারির হাট জমে উঠেছে । জেলার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর বাজারে সপ্তাহের প্রতি হাটে বসে এ সুপারির মেলা । সুপারির ব্যাপারিরা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বাড়ি বাড়ি ঘুরে সুপারি গাছ থেকে সংগ্রহ করে এ সুপারি গুলো । ব্যাপারিরা গ্রামের সুপারি গাছের মালিকদের নিকট থেকে সংগ্রহ করে তা হাটে নিয়ে আসে ।

সুপারির ব্যাপারি নির্মল ও আরব আরব আলী জানান, বছরের কার্তিক থেকে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত সুপারির মৌসুম । এ তিন মাসে ব্যাপারিরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে সুপারি সংগ্রহ করে । তারপর হাটে নিয়ে আসে । ২২০ পিচ সুপারি এককুড়ি হিসেবে ৫শ’ থেকে ৫৫০ টাকা পাইকেরি বিক্রি হয় । বিভিন্ন স্থানের মহাজনরা হাটে এসে তা সংগ্রহ করে । পরে খুচরা বাজারে এ সুপারি ৬শ’ থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হয় । এলাকার সুপারির মান ভালো হওয়াতে এখানকার ব্যাপারিরা এ গুলো পাশ্ববতী জেলা ঝিনাইদহ,যশোর,নড়াইল,ফরিদপুর,ঢাকা,নারায়নগঞ্জ,বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান করে ।
সুপারি কিনতে ফরিদপুরের আকিনুল জানান, আমি ৮-১০ বছর এ ব্যবসার সাথে জড়িত । আমি মাসে একবার এ হাটে এসে সুপারির মোকাম করি । এখানকার ব্যাপারিদের সাথে যোগাযোগ করে ভালো মানের সুপারি ক্রয় করি । একটু বড় ও বেশি হলুদভাব রঙের সুপারি আমাদের জেলায় ভালো চলে । প্রতি বছর আমি দু’বার সুপারির মোকাম করি আর তা দিয়ে সারা বছর ব্যবস্যা করি । এক থেকে দু’লক্ষ টাকা পুঁিজ খাটিয়ে আমি লাভ করি ৩ লক্ষ টাকার অধিক লাভ করি । আমি সুপারি কিনে তা ছোট ছোট করে কেটে শুকিয়ে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করি । কাঁচা সুপারি থেকে আবার শুকনো সুপারিতে লাভ বেশি । শুকনো সুপারি তৈরি করতে আমার শ্রমিক বাবদ ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা খরচ হয় । তবুও পানের দোকানে শুকনো সুপারির চাহিদা বেশি থাকায় আমি তা সরবরাহ করি ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

মাগুরায় জমে উঠেছে সুপারির হাট

প্রকাশিত : ০৪:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

মাগুরায় সুপারির হাট জমে উঠেছে । জেলার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর বাজারে সপ্তাহের প্রতি হাটে বসে এ সুপারির মেলা । সুপারির ব্যাপারিরা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বাড়ি বাড়ি ঘুরে সুপারি গাছ থেকে সংগ্রহ করে এ সুপারি গুলো । ব্যাপারিরা গ্রামের সুপারি গাছের মালিকদের নিকট থেকে সংগ্রহ করে তা হাটে নিয়ে আসে ।

সুপারির ব্যাপারি নির্মল ও আরব আরব আলী জানান, বছরের কার্তিক থেকে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত সুপারির মৌসুম । এ তিন মাসে ব্যাপারিরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে সুপারি সংগ্রহ করে । তারপর হাটে নিয়ে আসে । ২২০ পিচ সুপারি এককুড়ি হিসেবে ৫শ’ থেকে ৫৫০ টাকা পাইকেরি বিক্রি হয় । বিভিন্ন স্থানের মহাজনরা হাটে এসে তা সংগ্রহ করে । পরে খুচরা বাজারে এ সুপারি ৬শ’ থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হয় । এলাকার সুপারির মান ভালো হওয়াতে এখানকার ব্যাপারিরা এ গুলো পাশ্ববতী জেলা ঝিনাইদহ,যশোর,নড়াইল,ফরিদপুর,ঢাকা,নারায়নগঞ্জ,বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান করে ।
সুপারি কিনতে ফরিদপুরের আকিনুল জানান, আমি ৮-১০ বছর এ ব্যবসার সাথে জড়িত । আমি মাসে একবার এ হাটে এসে সুপারির মোকাম করি । এখানকার ব্যাপারিদের সাথে যোগাযোগ করে ভালো মানের সুপারি ক্রয় করি । একটু বড় ও বেশি হলুদভাব রঙের সুপারি আমাদের জেলায় ভালো চলে । প্রতি বছর আমি দু’বার সুপারির মোকাম করি আর তা দিয়ে সারা বছর ব্যবস্যা করি । এক থেকে দু’লক্ষ টাকা পুঁিজ খাটিয়ে আমি লাভ করি ৩ লক্ষ টাকার অধিক লাভ করি । আমি সুপারি কিনে তা ছোট ছোট করে কেটে শুকিয়ে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করি । কাঁচা সুপারি থেকে আবার শুকনো সুপারিতে লাভ বেশি । শুকনো সুপারি তৈরি করতে আমার শ্রমিক বাবদ ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা খরচ হয় । তবুও পানের দোকানে শুকনো সুপারির চাহিদা বেশি থাকায় আমি তা সরবরাহ করি ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ