বাবার চেয়ে ছেলের বয়স ৫ বছর বেশি দেখানো হয়েছে ভোটার আইডি কার্ডে। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন নাটোরের গুরুদাসপুরের বৃদ্ধ আবদুল কুদ্দুস। তিনি ওই উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-চাপিলা গ্রামের বাসিন্দা।
আবদুল কুদ্দুসের আইডি কার্ডে তার জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯ এপ্রিল ১৯৭৪; আর তার ছেলে আবু সাঈদের জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৬৯ সালে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে আবদুল কুদ্দুস বলেন, দেশ স্বাধীনের সময় তার বড় ছেলে আবু সাঈদের বয়স ছিল ৩ বছর। অর্থাৎ তার জন্ম ১৯৬৯-এ। বর্তমানে তার বয়স ৫১ বছর। অথচ আইডি কার্ড অনুযায়ী আমার বয়স ৪৬ বছর। এ কারণে আমার বয়স্কভাতা বাতিল হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আবদুল কুদ্দুসের অভিযোগ, ভোটার আইডি কার্ডের এই ভুল নিয়ে তিনি সমাজসেবা দফতর ও নির্বাচন অফিসে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। কোনো সমাধান পাচ্ছেন না।
এদিকে আবদুল কুদ্দুসের জন্মসনদে দেখা যায়, তার জন্ম তারিখ ১ জুন ১৯৪৭। জন্মসনদ অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৭৩ বছর। অথচ ভোটার আইডি কার্ডে বয়স এসেছে ৪৬ বছর।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আইডি কার্ড অনুসারে তার বয়স ৪৬ বছর। ৬৫ বছরের নিচে হলে তার বয়স্ক ভাতা কার্ড বাতিল হবে। শারীরিক অবস্থা দেখে বোঝা যায় তার বয়স অন্তত ৭০-এর ঊর্ধ্বে। তার পরও কিছুই করার নেই।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইসহাক আলী সরকার বলেন, ওই কার্ডের লেখা বয়স পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জটিলতা আছে। তার স্ত্রীসহ সব সন্তানের আইডি কার্ড, বিবাহ কাবিননামা, এফিডেভিডসহ অনলাইনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। এর পরও তার বয়স পরিবর্তন যে হবেই তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















