রংপুরের মিঠাপুকুরে শত কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছিল দুর্যোগ সহনীয় ও গৃহহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণ, ব্রীজ কালভার্ট, কাঁচা সড়কে এইচবিবি করণ, সোলার লাইট স্থাপন, উন্নত চুলা বিতরণ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ.এন আশিকুর রহমান এমপির “চলো করোনা জয় করি” তহবিলের মাধ্যমে হত দরিদ্র পরিবারের ৬ থেকে ১২ মাস বয়সী শিশু ও প্রসূতি এবং গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাযায় ২০২০ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তায় ৯৫টি ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৩১ লক্ষ ২৩ হাজার ৩৪২ টাকা।
২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তা টেকসই করণের লক্ষ্যে এইচবিবি করা হয়েছে ১৫ হাজার মিটার রাস্তা। এতে ব্যয় হয়েছে ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা। ১১২৯ টি স্টিট লাইট স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ৬ কোটি ৩৭ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা। ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদ, মন্দির, স্কুল কলেজ ও হতদরিদ্র পরিবারের ২৭৯৪ টি সোলার লাইট বিতরণে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৫৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
২২ হাজার স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত চুলা বিতরণে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা। দুর্যোগ সহনীয় ৭৫টি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ১১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য ৬৩৯ টি গৃহনির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশফিকুর রহমান জানান, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম প্রতিরোধে সকল প্রকল্পের প্রি-ওয়ার্ক ও পোস্ট ওয়ার্ক এর ছবি গ্রহণ করা সহ অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর মনিটরিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়াও ওই কর্মকর্তা করোনা কালীন সময়ে নিজ দপ্তরে রাত্রী যাপন করে ৭২ হাজার পরিবারের মাঝে ৭১২ মেঃ টন চাল ও ২৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা সুষ্ঠভাবে বিতরণ করে করোনা যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন ভূঁইয়া জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ.এন আশিকুর রহমান এমপির আন্তরিক চেষ্টায় মিঠাপুকুর উপজেলাকে উন্নয়নের মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং এখনও অনেক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়াও এমপি মহোদয়ের “চলো করোনা জয় করি” তহবিলের মাধ্যমে হত দরিদ্র পরিবারের ৬-১২ মাস বয়সের ২ হাজার শিশু, প্রসূতি ও গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হচ্ছে এবং ৩২ হাজার পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে কিচেন গার্ডেন নামে সবজি বাগান গড়ে তোলা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ




















