০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

আলফাডাঙ্গায় গরু চুরির হিড়িক, কৃষকের আহাজারি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। আর এই গরু চুরির কারণে অনেক কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার ভোররাতেও উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহিষারঘোপ গ্রাম থেকে হামিদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির তিনটি গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি গাভী, একটি ষাঁড় ও একটি বাছুর রয়েছে। যার বাজারমূল্য মূল্য প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বলে জানিয়েছেন চুরি হওয়া গরুর মালিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় হামিদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার রাতে গরুর গোয়ালঘরের দরজা শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরের তালা ভাঙা ও তিনটি গরু ঘরে নাই দেখতে পান। এ সময় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে সান্তনা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন। অন্য সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছুদিন ধরেই গরু চুরির উপদ্রব বেড়েছে। আর গরু চুরির কারণে অনেক কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চুডরি হওয়া গরুর মালিক হামিদ চৌধুরী জানান, আমি গরীব মানুষ। তিনটি গরুই আমার সম্বল ছিল। গোয়ালঘর খালি করে সবকটি গরু নিয়ে গেছে চোরেরা। অনেক কষ্টে ধারদেনা করে গরু পালন শুরু করেছি। এখন আমার কিছুই রইলো না।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি রেজাউল করীম জানান, এ ব্যাপারে এখনও কোনো অভিযোগ পাযইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

পাবনায় ৪টি বিপন্ন পাতিসরালি হাঁস উদ্ধার, পাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অবমুক্ত

আলফাডাঙ্গায় গরু চুরির হিড়িক, কৃষকের আহাজারি

প্রকাশিত : ০৩:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। আর এই গরু চুরির কারণে অনেক কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার ভোররাতেও উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহিষারঘোপ গ্রাম থেকে হামিদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির তিনটি গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি গাভী, একটি ষাঁড় ও একটি বাছুর রয়েছে। যার বাজারমূল্য মূল্য প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বলে জানিয়েছেন চুরি হওয়া গরুর মালিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় হামিদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার রাতে গরুর গোয়ালঘরের দরজা শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরের তালা ভাঙা ও তিনটি গরু ঘরে নাই দেখতে পান। এ সময় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে সান্তনা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন। অন্য সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছুদিন ধরেই গরু চুরির উপদ্রব বেড়েছে। আর গরু চুরির কারণে অনেক কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চুডরি হওয়া গরুর মালিক হামিদ চৌধুরী জানান, আমি গরীব মানুষ। তিনটি গরুই আমার সম্বল ছিল। গোয়ালঘর খালি করে সবকটি গরু নিয়ে গেছে চোরেরা। অনেক কষ্টে ধারদেনা করে গরু পালন শুরু করেছি। এখন আমার কিছুই রইলো না।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি রেজাউল করীম জানান, এ ব্যাপারে এখনও কোনো অভিযোগ পাযইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর