১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঈশ্বরদীতে ৩০০ বিঘা জমিতে রাসায়নিক সার মুক্ত সবজি চাষ শুরু

দেশের মানুষের মৌসুমি সবজির চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে ঈশ্বরদীতে রাসায়নিক সার ও বিষমুক্ত স্বাস্থ্য সম্মত মৌসুমি সবজির পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয়েছে। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহযোগিতায় ইতোমধ্যেই উপজেলার লক্ষ্মিকুন্ডা ইউনিয়নের ৫০০ জন কৃষকের মাধ্যমে ৩০০ বিঘা জমিতে চাষ শুরু করা হয়েছে। পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রকল্পের (আইপিএম) আওতায় এসব জমিতে রবিশস্য হিসেবে বর্তমানে ফুলকপি, বেগুন, শিম চাষ হয়েছে।

আসন্ন খরিপ-১ মৌসুমে (১৬ মার্চ-৩০ জুন) এসব জমিতে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, করোলা, চিচিঙ্গা, জিঙ্গা, শসা, টমেটো, মুলা, চাল কুমড়া, খিরা জাতীয় সবজি চাষ করা হবে। ইতোমধ্যেই বিদেশে সবজি রপ্তানিকারক বিভিন্ন কম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কম্পানিগুলো থেকে আশানুপাতিক সাঁড়া পাওয়া গেছে। দ্রুত এসব কম্পানির প্রতিনিধিদল ঈশ্বরদীতে আসবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ লতিফ কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঈশ্বরদী উপজলো কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য মতে, সরকার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদী উপজলোর লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নকে নিরাপদ সফসল উৎপাদনের জন্য মডেল ইউনিয়ন হিসেবে ধরা হয়েছে। কারণ উত্তর বঙ্গের প্রধার সবজি চাষ অঞ্চল ঈশ্বরদী। আর সবজি চাষে লক্ষ্মীকুন্ডার মাটি খুবই উপযোগী ও শক্তিশালী। তাই উৎপাদিত সবজির এক তৃতীয়াংশই আসে লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়ন থেকে।

তথ্য মতে, ইতোমধ্যেই এই প্রকল্পের অধীনে চাষাবাদের জন্য আধুনকি প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী ৫০০ জন প্রগতিশীল সবজি চাষিকে হাতে কলমে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। তাদেরকে ২০টি দলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি দলে রয়েছেন ২৫ জন চাষি। এই ২০টি দলের চাষিরা একই ধরণের ফসল চাষ না করে গ্রুপ ভিত্তিক আলাদা আলাদা ধরণের চাষ করবে। কোনো কৃষক কোনো ফসল চাষ করবে তা প্রশক্ষিণ চলাকালেই নির্ধারণ করে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

ঈশ্বরদীতে ৩০০ বিঘা জমিতে রাসায়নিক সার মুক্ত সবজি চাষ শুরু

প্রকাশিত : ০৪:০৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

দেশের মানুষের মৌসুমি সবজির চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে ঈশ্বরদীতে রাসায়নিক সার ও বিষমুক্ত স্বাস্থ্য সম্মত মৌসুমি সবজির পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয়েছে। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহযোগিতায় ইতোমধ্যেই উপজেলার লক্ষ্মিকুন্ডা ইউনিয়নের ৫০০ জন কৃষকের মাধ্যমে ৩০০ বিঘা জমিতে চাষ শুরু করা হয়েছে। পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রকল্পের (আইপিএম) আওতায় এসব জমিতে রবিশস্য হিসেবে বর্তমানে ফুলকপি, বেগুন, শিম চাষ হয়েছে।

আসন্ন খরিপ-১ মৌসুমে (১৬ মার্চ-৩০ জুন) এসব জমিতে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, করোলা, চিচিঙ্গা, জিঙ্গা, শসা, টমেটো, মুলা, চাল কুমড়া, খিরা জাতীয় সবজি চাষ করা হবে। ইতোমধ্যেই বিদেশে সবজি রপ্তানিকারক বিভিন্ন কম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কম্পানিগুলো থেকে আশানুপাতিক সাঁড়া পাওয়া গেছে। দ্রুত এসব কম্পানির প্রতিনিধিদল ঈশ্বরদীতে আসবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ লতিফ কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঈশ্বরদী উপজলো কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য মতে, সরকার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদী উপজলোর লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নকে নিরাপদ সফসল উৎপাদনের জন্য মডেল ইউনিয়ন হিসেবে ধরা হয়েছে। কারণ উত্তর বঙ্গের প্রধার সবজি চাষ অঞ্চল ঈশ্বরদী। আর সবজি চাষে লক্ষ্মীকুন্ডার মাটি খুবই উপযোগী ও শক্তিশালী। তাই উৎপাদিত সবজির এক তৃতীয়াংশই আসে লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়ন থেকে।

তথ্য মতে, ইতোমধ্যেই এই প্রকল্পের অধীনে চাষাবাদের জন্য আধুনকি প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী ৫০০ জন প্রগতিশীল সবজি চাষিকে হাতে কলমে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। তাদেরকে ২০টি দলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি দলে রয়েছেন ২৫ জন চাষি। এই ২০টি দলের চাষিরা একই ধরণের ফসল চাষ না করে গ্রুপ ভিত্তিক আলাদা আলাদা ধরণের চাষ করবে। কোনো কৃষক কোনো ফসল চাষ করবে তা প্রশক্ষিণ চলাকালেই নির্ধারণ করে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর