১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

মা-বাবা আটক

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাওয়ালখালীতে নিখোঁজ সোহান হোসেন নামে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ হত‌্যকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার মা-বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর্জা সালাহ উদ্দীন এ তথ‌্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘শিশুটি জন্মের পর থেকেই অসুস্থ ছিলো। সে জন্ডিস, রিকেট, নিউমোনিয়া ও হার্টের সমস্যায় ভুগছিলো। এ সমস্ত কারণে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ গুম করে।’

শনিবার(২৭ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে তাদের বাড়ির পাশ থেকে  সোহানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।

পুলিশ জানায়, দু’বছর আগে কলারোয়া উপজেলার সাহাপুর গ্রামের সোহাগ হোসেনের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। শ্বশুর বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর পারিবারিক কলহের কারণে আবারও স্বামীকে নিয়ে নানা বাড়ি হাওয়ালখালিতে চলে আসেন ফাতেমা। গত ১১ নভেম্বর সাতক্ষীরা শহরের একটি ক্লিনিকে জন্ম নেয় ছেলে সোহান হোসেন। এরপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে যেতে হয় খুলনা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে। গত ২৫ নভেম্বর তারা সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। পরদিন দুপুরে বাড়ির বারান্দায় ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে সন্তানটি চুরি হয় । এ ঘটনায় শিশুটির বাবার সোহাগ হোসেন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাহ উদ্দীন জানান, শিশুটি অসুস্থ থাকায় বাবা সোহাগ হোসেন তাকে হত‌্যা করে মরদেহ সেফটি ট্যাঙ্কির মধ‌্যে ফেলে দেন। আর এ কাজে সহযোগিতা করেন তার মা ফাতেমা খাতুন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ হত‌্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

মা-বাবা আটক

প্রকাশিত : ০২:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাওয়ালখালীতে নিখোঁজ সোহান হোসেন নামে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ হত‌্যকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার মা-বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর্জা সালাহ উদ্দীন এ তথ‌্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘শিশুটি জন্মের পর থেকেই অসুস্থ ছিলো। সে জন্ডিস, রিকেট, নিউমোনিয়া ও হার্টের সমস্যায় ভুগছিলো। এ সমস্ত কারণে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ গুম করে।’

শনিবার(২৭ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে তাদের বাড়ির পাশ থেকে  সোহানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।

পুলিশ জানায়, দু’বছর আগে কলারোয়া উপজেলার সাহাপুর গ্রামের সোহাগ হোসেনের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। শ্বশুর বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর পারিবারিক কলহের কারণে আবারও স্বামীকে নিয়ে নানা বাড়ি হাওয়ালখালিতে চলে আসেন ফাতেমা। গত ১১ নভেম্বর সাতক্ষীরা শহরের একটি ক্লিনিকে জন্ম নেয় ছেলে সোহান হোসেন। এরপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে যেতে হয় খুলনা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে। গত ২৫ নভেম্বর তারা সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। পরদিন দুপুরে বাড়ির বারান্দায় ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে সন্তানটি চুরি হয় । এ ঘটনায় শিশুটির বাবার সোহাগ হোসেন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাহ উদ্দীন জানান, শিশুটি অসুস্থ থাকায় বাবা সোহাগ হোসেন তাকে হত‌্যা করে মরদেহ সেফটি ট্যাঙ্কির মধ‌্যে ফেলে দেন। আর এ কাজে সহযোগিতা করেন তার মা ফাতেমা খাতুন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ হত‌্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ