ঢাকা রাত ১১:৫১, শনিবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

উদ্বোধন হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু রেল সেতু

বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতুর উদ্বোধন হচ্ছে । বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩শ’ মিটার উজানে নির্মাণ করা হবে, দেশের সবচেয়ে বড় রেল সেতু।

রেলমন্ত্রী বলছেন, এটি চালু হলে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি মাইল ফলক । যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, বলছে কর্তৃপক্ষ। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রেলসেতুটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর মধ্য দিয়ে রাজধানীর সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ চালু হয়। প্রথমে ৪টি ট্রেন দৈনিক ৮ বার পারাপারের পরিকল্পনা থাকলেও যাত্রী চাহিদায় পরে তা বাড়ানো হয়।

২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ফাটল দেখা দিলে কমিয়ে দেয়া হয় ট্রেনের গতি। বর্তমানে প্রতিদিন ৩৮টি ট্রেন স্বল্প গতিতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এতে সময় অপচয়ের পাশাপাশি ঘটছে সিডিউল বিপর্যয়।

ট্রেন যোগাযোগের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩শ মিটার উজানে নির্মাণ করা হবে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘের ডাবল লেনের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতু। সেতুটি নির্মাণ হলে একদিকে যেমন বাঁচবে সময়, তেমনি প্রসার ঘটবে ব্যবসা বাণিজ্যেরও।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের একটি আশা আকাঙ্খা ছিল তাদের একটি রেলসেতু হবে যাতে করে সরাসরি মাল সহ আমরা যেতে পারি। এটি হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জাতীয় জিডিপিতেও অবদান রাখবে।

রেলমন্ত্রী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম সুজন জানান, সেতুটিতে একশ’ কিলোমিটার বেগে দুটি ট্রেন একসঙ্গে চলাচল করতে পারবে। পরিবহণ করা যাবে সব ধরনের মালামাল।

জাপান-বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ১৬ হাজার ৭শ’ ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে জাইকা। ২০২৪ সালের আগস্টে এর কাজ শেষ হবার কথা রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

এ বিভাগের আরও সংবাদ