দীর্ঘ অর্ধ-যুগ এর বেশি সময় ধরে মেরামত কাজ না হওয়ায় এবং গেলো কয়েক বছরের বন্যা ও অতি বৃষ্টির কারনে ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্থ হয় মৌলভীবাজারের রাজনগর- বালাগঞ্জ সড়কের প্রায় ২০ কিমি রাস্তা।এই সড়কে বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্ঠি হয়েছে।সামান্য বৃষ্টি হলে খানাখন্দে পানি জমে ছোট ছোট গর্তের মধ্যে আটকে যায় যানচলাচল। এতে দুর্ভোগে পরেছেন সাধারণ মানুষ। ঝুকিপূর্ণ এই সড়কে দিন দিন বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও পাশাপাশী যাত্রীরা দিতে হচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া।
জানা য়ায়,মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার আংশিক মানুষের জেলা সদরে আসার একমাত্র সড়ক মৌলভীবাজার-বালাগঞ্জ সড়ক।কিন্তু দীর্ঘ দিন থেকে সড়কটি ভঙ্গা চুড়া থাকার কারনে বেহাল দশায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। জীবনের ঝুকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করছেন উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষ ও স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা।বিষেশ করের গর্ভবতী মহিলা ও হার্টের রোগীদের জন্য বেশি বিপদ জনক এই সড়কটি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এই সড়কে প্রায় বছর থেকে সংস্কার কাজ ছাড়া ব্যবহারের কারণে বিভিন্নস্থানে বড় বড় গর্ত তৈরী হয়ে রাস্তাটির এমন বেহাল দশা হয়েছে।
রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও এলাকার জুয়েল, হাম্মাদ মিয়া, হান্নান, ফতেপুর এলাকার জাফর, নজরুল ইসলামসহ আনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এই রাস্তাটি খানাখন্দ অবস্থায় রয়েছে।আমরা অনেক দিন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি অফিসে গলে অফিসাররা বলেন কাজ হয়ে যাবে কিন্তু বছরের পর বছর চলে যায় কোন কাজ হয়না। রাস্তাটির বেহাল আবস্তা থাকার কারনে আমাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
জুবেল আলী বলেন, রাজনগর- বালাগঞ্জ সড়কটি বেশি ভাঙ্গা তাকার কারনে দ্বগিুণ ভাড়াও দিতে হয়।
সামছুল মিয়া বলেন, বহু দিন ধরে সড়কটিতে কোন কাজ না হয়াতে সড়কটিতে এখন বেহাল অবস্তা দেখা দিয়েছে।কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি যত দ্রুত সম্বভ এই সড়কটি মেরামত করে দেয়ার জন্য।
সিএনজি চালক পারভেজ,আখলিছ মিয়া,বিলাল মিয়া,সুজিত,ডিপলু সহ এশাধিক চালক বলেন,আমাদের গাড়িতে প্রতিদিন কাজ আসে। গাড়ি চালিয়ে বিকেল বেলা গাড়িতে কাজ করিয়ে যে টাকা তাকে তাতে আমাদের রোজও হয়না।পরে ধারদেনা করে বাড়িতে বাজার নিতে হয়া। রাস্তাটি ভাল থাকলে আমাদের গাড়িতে মেরামতের যে খরচ আসে তা আর হতো না।
মৌলভীবাজা সড়ক ও জনপথ (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, রাজনগর-বালাগঞ্জ খানাখন্দ সড়কের সংস্কার কাজ আগামী জানুয়ারী মাসের মধ্যে শুরু হয়ে যাবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ


















