০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

মজুমদারের ধান কাটলেন জেলা প্রশাসক

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মাঠে গিয়ে আমন ধান কেটেছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলায় আমন ধান কাটার শুরু হয়। বুধবার বেলা ১২টার দিকে তিনি মঘিয়া ইউনিয়নের বৈরাগীর হাট সংলগ্ন মাঠে দেবদাস মজুমদারের ধান কেটে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জয় দাস, অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত দেবনাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহেরা নাজনীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন, মঘিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পঙ্কজ অধিকারী প্রমূখ।

পরে বৈরাগীর হাটে ‘শস্য কর্তন উৎসব-১৪২৭’ উপলক্ষে কৃষকদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কৃষকরা তাদের সুবিধা ও অসুবিধার কথা বলেন।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রাখতে সকলকে ভূমিকা নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না। যে জমিতে যে ফসল ফলানো যায় তাই ফলাতে হবে। এই মৌসুমে ধানের ফলন যেমন ভালো হয়েছে, দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। আপনারা চাষাবাদ বৃদ্ধি করুন, সাবলম্বী হন।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জয় দাস জানান, জেলার নয়টি উপজেলায় ৭৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। এতে এক লাখ ৬৬ হাজার ৫৩০ মেট্রিকটন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। নয়টি উপজেলার মধ্যে বাম্পার ফলন হয়েছে কচুয়ায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

মজুমদারের ধান কাটলেন জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত : ০৭:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মাঠে গিয়ে আমন ধান কেটেছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলায় আমন ধান কাটার শুরু হয়। বুধবার বেলা ১২টার দিকে তিনি মঘিয়া ইউনিয়নের বৈরাগীর হাট সংলগ্ন মাঠে দেবদাস মজুমদারের ধান কেটে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জয় দাস, অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত দেবনাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহেরা নাজনীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন, মঘিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পঙ্কজ অধিকারী প্রমূখ।

পরে বৈরাগীর হাটে ‘শস্য কর্তন উৎসব-১৪২৭’ উপলক্ষে কৃষকদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কৃষকরা তাদের সুবিধা ও অসুবিধার কথা বলেন।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রাখতে সকলকে ভূমিকা নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না। যে জমিতে যে ফসল ফলানো যায় তাই ফলাতে হবে। এই মৌসুমে ধানের ফলন যেমন ভালো হয়েছে, দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। আপনারা চাষাবাদ বৃদ্ধি করুন, সাবলম্বী হন।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জয় দাস জানান, জেলার নয়টি উপজেলায় ৭৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। এতে এক লাখ ৬৬ হাজার ৫৩০ মেট্রিকটন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। নয়টি উপজেলার মধ্যে বাম্পার ফলন হয়েছে কচুয়ায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর