১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

ধর্ম’ নিয়ে সংশয়, এক সপ্তাহ ধরে মর্গে কিশোরীর লাশ

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহ ধরে একটি কিশোরী মেয়ের মরদেহ রাখা আছে পুলিশের দায়িত্বে। মেয়েটির বাবা-মা জাতিগতভাবে চাকমা এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও মেয়েটির স্বামীর পরিবার দাবি করছে, বিয়ের সময় মেয়েটি ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলিম হয়েছিল। আর এখন দুই পক্ষই মেয়েটির লাশের মালিকানা দাবি করে আবেদন করেছেন আদালতে।

সেই পটভূমিতে তদন্ত সাপেক্ষে মৃতের ‘ধর্মীয় পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত’ হয়ে সেই মোতাবেক র‍্যাবকে মরদেহ সৎকার করার নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজারের একটি আদালত।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লাকিং মে’র লাশ আসার পর থেকে এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন সদর থানার এসআই আবদুল হালিম। তিনি জানান, দুই পক্ষই ভুক্তভোগীর ধর্মীয় পরিচয়ের প্রমাণপত্র দাখিল করেছেন তার কাছে।

আবদুল হালিম বলেন, মেয়েটির বাবা তার জন্মনিবন্ধন সনদ জমা দিয়েছেন, যা অনুযায়ী মেয়েটির বয়স ১৫ এর বেশি নয়। আবার তার স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকেও একটি এফিডেভিট করে বিয়ের সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে মেয়েটির বয়স বোঝা না গেলেও প্রমাণিত হয় যে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল।’

লাকিং মে চাকমার মরদেহের সৎকার এখন কোন ধর্মের রীতি অনুযায়ী হবে, তা নির্ভর করছে র‍্যাবের তদন্তের ফলাফলের ওপর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ধর্ম’ নিয়ে সংশয়, এক সপ্তাহ ধরে মর্গে কিশোরীর লাশ

প্রকাশিত : ০৮:১৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহ ধরে একটি কিশোরী মেয়ের মরদেহ রাখা আছে পুলিশের দায়িত্বে। মেয়েটির বাবা-মা জাতিগতভাবে চাকমা এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও মেয়েটির স্বামীর পরিবার দাবি করছে, বিয়ের সময় মেয়েটি ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলিম হয়েছিল। আর এখন দুই পক্ষই মেয়েটির লাশের মালিকানা দাবি করে আবেদন করেছেন আদালতে।

সেই পটভূমিতে তদন্ত সাপেক্ষে মৃতের ‘ধর্মীয় পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত’ হয়ে সেই মোতাবেক র‍্যাবকে মরদেহ সৎকার করার নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজারের একটি আদালত।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লাকিং মে’র লাশ আসার পর থেকে এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন সদর থানার এসআই আবদুল হালিম। তিনি জানান, দুই পক্ষই ভুক্তভোগীর ধর্মীয় পরিচয়ের প্রমাণপত্র দাখিল করেছেন তার কাছে।

আবদুল হালিম বলেন, মেয়েটির বাবা তার জন্মনিবন্ধন সনদ জমা দিয়েছেন, যা অনুযায়ী মেয়েটির বয়স ১৫ এর বেশি নয়। আবার তার স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকেও একটি এফিডেভিট করে বিয়ের সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে মেয়েটির বয়স বোঝা না গেলেও প্রমাণিত হয় যে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল।’

লাকিং মে চাকমার মরদেহের সৎকার এখন কোন ধর্মের রীতি অনুযায়ী হবে, তা নির্ভর করছে র‍্যাবের তদন্তের ফলাফলের ওপর।