ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসে কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। পৌষের শুরু থেকেই শুরু হয়েছে শীতের দাপট। বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা কমে কুড়িগ্রামে কুয়াশা ঝরছে বৃষ্টির মতো।
এদিকে তীব্র ঠাণ্ডার কারণে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ। এতে রোজগারে ভাটা পড়ায় পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা।
শহরের সিনেমা হল সড়কের আশপাশে শতাধিক নারী ও পুরুষ শ্রমিকের জটলা বেঁধে আছে। সেখানে ফুলতলা এলাকার বাবুল ইসলাম (৪৮) বলেন, আমি দুইদিন থেকে সময়মতো কাজে বের হতে পারছি না। ঠাণ্ডায় হাত ও পা অবশ হয়ে যাচ্ছে।
তুলারডাঙ্গা এলাকার হামিদুল ইসলাম বলেন, শীত মৌসুমে আমাদের কাজ কমে যায় দুপুর ১২টার আগে মানুষ ঘর থেকে বের হয় না। শুধু আমাদের পেটের তাগিদে বের হতে হয়। পৌরসভার কামাতপাড়া এলাকার সবজিচাষী আইনুল ইসলাম বলেন, বাড়ি থেকে বের হয়ে সকালে মাঠে কাজ করতে গেলে কুয়াশায় ভিজে যাচ্ছি। ঠাণ্ডায় আর কাজ করতে পারছি না।
পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান বলেন, করোনার কারণে যদিও হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কম। শীতজনিত রোগে এখন পর্যন্ত গত বছরের এ সময়ের তুলনায় রোগী ভর্তি হয়নি। তবে প্রতিদিনই হাসপাতালের বহির্বিভাগে শিশু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।
পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান বলেন, এরই মধ্যে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ২২ হাজার শীতবস্ত্র কম্বল জেলার ৪৩ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বিতরণ করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আরো চাহিদা পাঠানো রয়েছে। এছাড়া শীতার্তদের জন্য নগদ ৩০ লাখ টাকার অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে শীতবস্ত্র ক্রয়ের জন্য। শীতবস্ত্র ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ




















