০৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

শীতে ভোগান্তিতে রাজশাহীর ছিন্নমূল মানুষজন

শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে রাতেও রাজশাহীর পুরনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় করেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীত জেঁকে বসায় দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে জমজমাট থাকে এসব দোকান। শীত বাড়ায় বিক্রি বেড়েছে বলে জানান দোকানিরা।

ভোরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে নগর। দিনভর ধোঁয়াশে আকাশে সূর্যের উঁকিঝুঁকি। পৌষের শুরু থেকেই হিম বাতাস বাড়িয়েছে কনকনে শীত। আবহাওয়া অফিস বলছে, চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

এমন অবস্থায় রাজশাহীতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের মানুষজন। শীত নিবারণের ন্যূনতম গরম কাপড় না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে এসব মানুষ। তাতে গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছেন ফুটপাত ও ভ্যানে ফেরি করা পুরনো কাপড়ের দোকানগুলোতে।

ছিন্নমূল মানুষজন বলেন, আমাদের টাকা-পয়সা নেই। তাই শীতের কাপড়ও কিনতে পারিনি। আকাশের নিচে থাকি।

নগরীর গনকপাড়া, নিউমার্কেট রোড, ও রেলগেটের ফুটপাতে পাওয়া যাচ্ছে স্বল্প দামে নতুন পুরাতন কাপড়। শীতের কাপড় কিনতে রাত পর্যন্ত ভিড় করেন নগরের নিম্ন আয়ের মানুষ।

তারা বলেন, বড় বড় শপিং-মল থেকেও এখানে শীতের কাপড় বেশি পাওয়া যায়। দামও সস্তা। কোয়ালিটি ভালো।

বিক্রেতারা জানান শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।

এবারের শীতে শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজশাহীতে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালীগঞ্জে কারখানায় সেনাবাহিনীর অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ

শীতে ভোগান্তিতে রাজশাহীর ছিন্নমূল মানুষজন

প্রকাশিত : ১১:৩৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২০

শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে রাতেও রাজশাহীর পুরনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় করেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীত জেঁকে বসায় দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে জমজমাট থাকে এসব দোকান। শীত বাড়ায় বিক্রি বেড়েছে বলে জানান দোকানিরা।

ভোরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে নগর। দিনভর ধোঁয়াশে আকাশে সূর্যের উঁকিঝুঁকি। পৌষের শুরু থেকেই হিম বাতাস বাড়িয়েছে কনকনে শীত। আবহাওয়া অফিস বলছে, চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

এমন অবস্থায় রাজশাহীতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের মানুষজন। শীত নিবারণের ন্যূনতম গরম কাপড় না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে এসব মানুষ। তাতে গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছেন ফুটপাত ও ভ্যানে ফেরি করা পুরনো কাপড়ের দোকানগুলোতে।

ছিন্নমূল মানুষজন বলেন, আমাদের টাকা-পয়সা নেই। তাই শীতের কাপড়ও কিনতে পারিনি। আকাশের নিচে থাকি।

নগরীর গনকপাড়া, নিউমার্কেট রোড, ও রেলগেটের ফুটপাতে পাওয়া যাচ্ছে স্বল্প দামে নতুন পুরাতন কাপড়। শীতের কাপড় কিনতে রাত পর্যন্ত ভিড় করেন নগরের নিম্ন আয়ের মানুষ।

তারা বলেন, বড় বড় শপিং-মল থেকেও এখানে শীতের কাপড় বেশি পাওয়া যায়। দামও সস্তা। কোয়ালিটি ভালো।

বিক্রেতারা জানান শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।

এবারের শীতে শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজশাহীতে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।