১২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জঙ্গিদের অনুপ্রেবেশ ঠেকাতে চীনে আরেকটি মহাপ্রাচীর

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৩:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৮
  • 127

দেশের বাইরে থেকে জঙ্গিদের অনুপ্রেবেশ ঠেকাতে চীনের জিনজিয়াংয়ের পশ্চিমাঞ্চলে আরেকটি মহাপ্রাচীর তৈরি করবে। প্রাদেশিক গভর্নরকে উদ্ধৃত করে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জিনজিয়াংয়ের গভর্নর শোহরাত জাকির বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তায় কোনো ফাঁক না রাখতে আমাদের চেষ্টার কেনো ত্রুটি থাকবে না।

সীমান্ত এলাকায় প্রযুক্তির আরও উন্নয়ন ঘটানো হবে বলেও জানান তিনি। জাকির বলেন, ২০১৭ সালে মোটের উপর পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল; যার কারণে মানুষ নিরাপদ বোধ করেছে। বিচ্ছিন্নতাবাদকে আমরা আবার ফিরে আসার কোনো সুযোগ দেব না এবং ধর্মীয় চরমপন্থা আবার যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে তা নিশ্চিত করবো।

জিনজিয়াংয়ের দক্ষিণাঞ্চলে গত কয়েক বছরে উইঘুর ও চীনা হান গোষ্ঠীর সহিংসতায় কয়েকশ’ লোক নিহত হয়েছে।

এসব সহিংসতার জন্য চীন ইসলামী চরমপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দায়ী করে আসছে। আবার তাদের সাথে দেশের বাইরের কোনো শক্তির যোগ আছে বলেও দাবি চীনের।

মানবাধিকার সংগঠন ও নির্বাসিত উইঘুররা এ ধরনের ঘটনার জন্য তাদের সংস্কৃতি ও ধর্মের উপর চীনা নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করে। এ অভিযোগও চীন অস্বীকার করে আসছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জঙ্গিদের অনুপ্রেবেশ ঠেকাতে চীনে আরেকটি মহাপ্রাচীর

প্রকাশিত : ০৩:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৮

দেশের বাইরে থেকে জঙ্গিদের অনুপ্রেবেশ ঠেকাতে চীনের জিনজিয়াংয়ের পশ্চিমাঞ্চলে আরেকটি মহাপ্রাচীর তৈরি করবে। প্রাদেশিক গভর্নরকে উদ্ধৃত করে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জিনজিয়াংয়ের গভর্নর শোহরাত জাকির বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তায় কোনো ফাঁক না রাখতে আমাদের চেষ্টার কেনো ত্রুটি থাকবে না।

সীমান্ত এলাকায় প্রযুক্তির আরও উন্নয়ন ঘটানো হবে বলেও জানান তিনি। জাকির বলেন, ২০১৭ সালে মোটের উপর পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল; যার কারণে মানুষ নিরাপদ বোধ করেছে। বিচ্ছিন্নতাবাদকে আমরা আবার ফিরে আসার কোনো সুযোগ দেব না এবং ধর্মীয় চরমপন্থা আবার যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে তা নিশ্চিত করবো।

জিনজিয়াংয়ের দক্ষিণাঞ্চলে গত কয়েক বছরে উইঘুর ও চীনা হান গোষ্ঠীর সহিংসতায় কয়েকশ’ লোক নিহত হয়েছে।

এসব সহিংসতার জন্য চীন ইসলামী চরমপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দায়ী করে আসছে। আবার তাদের সাথে দেশের বাইরের কোনো শক্তির যোগ আছে বলেও দাবি চীনের।

মানবাধিকার সংগঠন ও নির্বাসিত উইঘুররা এ ধরনের ঘটনার জন্য তাদের সংস্কৃতি ও ধর্মের উপর চীনা নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করে। এ অভিযোগও চীন অস্বীকার করে আসছে।