১১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

মারধরের প্রতিবাদে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানাধীন বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের বিরুদ্ধে নিরীহ ব্যক্তিদের মারধর, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে তার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সামনের সড়কে জয়পুরগ্রামবাসী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ভূক্তভোগী আনোয়ারা আক্তার, নাসিমা খাতুন, সাইদুর রহমান, দিপু মিয়া, মিশু, সাগর প্রমুখ। গত বুধবার বিকেলে জয়পুর গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে মজিবুর রহমান আজিম মাহমুদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
ওই ইউনিয়নের সাতুর গ্রামের ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে সৌরভের সাথে মজিবুর রহমানের ভাতিজা মুরসালিনের মধ্যে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে গত রোববার বিকেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মজিবুর রহমানের দাবি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৌরভের পক্ষে চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ তার লোকজন নিয়ে ওইদিন মধ্যরাতে জয়পুর গ্রামে গিয়ে মজিবুর রহমানের ভাতিজা শাহ আলমকে মারধর করে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী ঘরগুলোতেও হামলা চালানোর পাশাপাশি একই গ্রামের আর্শাদ মিয়ার ঘরেও হামলা চালানো হয়। লাঞ্চিত করা হয় আর্শাদ মিয়ার স্ত্রীকে। অন্য বাড়িতে অবস্থানকারী মজিবুর রহমানের ছোট ভাই সাইদুর রহমানের হাত ও চোখ বেঁধে মজিবুর রহমানের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রীকে হাত-পা বেঁেধ মারধর করা হয়।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ বলেন, ‘সাতুর গ্রামের লোকজনের কাছ থেকে ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা জয়পুর গ্রামের কয়েকজন রেখে দিয়েছে। এ নিয়ে আমি ওই গ্রামে লোকজন পাঠিয়েছিলাম। এ নিয়ে নাকি মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আর আমি সেখানে যাইনি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মারধরের প্রতিবাদে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৬:৫০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানাধীন বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের বিরুদ্ধে নিরীহ ব্যক্তিদের মারধর, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে তার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সামনের সড়কে জয়পুরগ্রামবাসী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ভূক্তভোগী আনোয়ারা আক্তার, নাসিমা খাতুন, সাইদুর রহমান, দিপু মিয়া, মিশু, সাগর প্রমুখ। গত বুধবার বিকেলে জয়পুর গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে মজিবুর রহমান আজিম মাহমুদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
ওই ইউনিয়নের সাতুর গ্রামের ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে সৌরভের সাথে মজিবুর রহমানের ভাতিজা মুরসালিনের মধ্যে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে গত রোববার বিকেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মজিবুর রহমানের দাবি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৌরভের পক্ষে চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ তার লোকজন নিয়ে ওইদিন মধ্যরাতে জয়পুর গ্রামে গিয়ে মজিবুর রহমানের ভাতিজা শাহ আলমকে মারধর করে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী ঘরগুলোতেও হামলা চালানোর পাশাপাশি একই গ্রামের আর্শাদ মিয়ার ঘরেও হামলা চালানো হয়। লাঞ্চিত করা হয় আর্শাদ মিয়ার স্ত্রীকে। অন্য বাড়িতে অবস্থানকারী মজিবুর রহমানের ছোট ভাই সাইদুর রহমানের হাত ও চোখ বেঁধে মজিবুর রহমানের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রীকে হাত-পা বেঁেধ মারধর করা হয়।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ বলেন, ‘সাতুর গ্রামের লোকজনের কাছ থেকে ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা জয়পুর গ্রামের কয়েকজন রেখে দিয়েছে। এ নিয়ে আমি ওই গ্রামে লোকজন পাঠিয়েছিলাম। এ নিয়ে নাকি মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আর আমি সেখানে যাইনি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ