দীর্ঘ ৯ বছর পর ঢাকার তুরাগ থানার রানাভোলায় স্ত্রী জেসমিন হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় স্বামী মো. শহিদুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় পড়ে শোনান।
এর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আর ২০১১ সালে ২৬ ডিসেম্বর শহিদুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ১২ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২২ আগস্ট রাত ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে ঢাকার তুরাগ থানাধীন রানাভোলায় মুক্তার হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। ঘটনার সময় জেসমিন আক্তারের সাড়ে চার বছরের কন্যাসন্তান তাসমিনা আক্তার এ ঘটনা দেখে ফেলে। এরপর তাসমিনা আক্তার বাবা শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেয়



















