রাজশাহী রেশম কারখানায় আনুষ্ঠানিকভাবে কাপড় উৎপাদন শুরু হলো। রোববার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে এর উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক)।মোট ১৯টি লুম নিয়ে এখন থেকে কারখানাটি চলবে। এখান থেকে বছরে উৎপাদন হবে ২৫ থেকে ২৬ হাজার মিটার রেশম কাপড়। ২০১৮ সালের ২৭ মে পরীক্ষামূলকভাবে কারখানার পাঁচটি লুম চালু করা হয়। এরপর আরও ১৪টি লুম পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে মন্ত্রী এসব লুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, কারখানার আরও ২৩টি লুম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।এর আগে তারা রাজশাহী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সভায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, রেশমের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করে উন্নতমানের সুতা তৈরি করতে হবে। যাতে অল্প দামে ভালো মসৃন কাপড় তৈরি করা যায়। তাহলে জনগণ সাশ্রয়ী মূল্যে রেশমের কাপড় পরতে পারবেন।
তিনি বলেন, রাজশাহী মানে রাজশাহীর সিল্ক। এটাকে ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। কীভাবে রেশম শিল্পকে লাভজনক শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায় এখন আমাদের সে বিষয়ে সাধনা করতে হবে। আমরা রেশম শিল্পকে একটি মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
রেশম গবেষণা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে একটি আধুনিক পলুপালন ঘরও উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এরও আগে বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মৌগাছীর চাঁদপুরে রেশম ব্লক, সম্প্রসারণ এলাকা এবং মোহনপুর চাকী সেন্টার পরিদর্শন করেন।
২০০২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার কারখানাটি বন্ধ করে দেয়। এতে বেকার হয়ে পড়েন কারখানার প্রায় ৩০০ শ্রমিক। সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা রেশম বোর্ডের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর কারখানাটি চালুর উদ্যোগ নেন।
উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী রেশম কারখানায় উৎপাদিত কাপড়ের বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি আদিবা আনজুম মিতা এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. লোকমান হোসেন মিয়া সেখান থেকে রেশম কাপড় কেনেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান




















