০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অসম্ভবকে সম্ভব করে দূষণহীন শহর গড়ছে সৌদি!

কার্বন নিঃসরণসহ সব ধরনের দূষণহীন অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার একটি শহর তৈরি করছে সৌদি আরব। নতুন প্রজন্মের জন্য তৈরি এ শহরটিতে চলবে না কোনো গাড়ি, থাকবে না দূষণ।

রোববার নতুন এমন একটি শহরের নকশা প্রকাশ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, একুশ শতকে এসে যা কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না, অসম্ভবকে সম্ভব করার মতো এমন শহর গড়ার কথাই বলছেন এমবিএস নামে খ্যাত সৌদি রাজ সিংহাসনের এ উত্তরাধিকারী।

২০১৭ সালে ‘দ্য লাইন’ নামের এই শহর তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। এটি ২৬ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের। ২০৩০ সালে শহরটি উন্মুক্ত করার আশা করা হচ্ছে।

লোহিত সাগরের ধারে ‘নিয়োম জোন’ নামে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ দূষণহীন (জিরো এমিশন) শহরটি তৈরির কাজ চলতি বছরের প্রথম দিকেই শুরু হওয়ার কথা, যা শেষ হতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগবে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, শহরে অতি দ্রুত চলাচলের জন্য অত্যাধুনিক রাস্তা থাকবে। ‘বিজনেস হাব’ হিসেবে গড়া এই শহরে মানুষের থাকার ব্যবস্থাও থাকবে। এখানকার সবকিছু চলবে পরিশ্রুত জ্বালানির সাহায্যে, যা পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে। এতে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষের। জর্ডান ও মিসর সীমান্ত সংযুক্ত এই শহর দিয়ে সৌদি অর্থনীতির ব্যাপক উন্নতির আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই শহরে গাড়ি চলাচল বা কার্বন নিঃসরণের মতো কোনো জিনিস থাকবে না। তবে শহরটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে থাকবে অগ্রসর বা অত্যাধুনিক। এটি নতুন প্রজন্মের শহরের ‘মডেল হয়ে থাকবে’ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

অসম্ভবকে সম্ভব করে দূষণহীন শহর গড়ছে সৌদি!

প্রকাশিত : ০৮:২৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ জানুয়ারী ২০২১

কার্বন নিঃসরণসহ সব ধরনের দূষণহীন অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার একটি শহর তৈরি করছে সৌদি আরব। নতুন প্রজন্মের জন্য তৈরি এ শহরটিতে চলবে না কোনো গাড়ি, থাকবে না দূষণ।

রোববার নতুন এমন একটি শহরের নকশা প্রকাশ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, একুশ শতকে এসে যা কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না, অসম্ভবকে সম্ভব করার মতো এমন শহর গড়ার কথাই বলছেন এমবিএস নামে খ্যাত সৌদি রাজ সিংহাসনের এ উত্তরাধিকারী।

২০১৭ সালে ‘দ্য লাইন’ নামের এই শহর তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। এটি ২৬ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের। ২০৩০ সালে শহরটি উন্মুক্ত করার আশা করা হচ্ছে।

লোহিত সাগরের ধারে ‘নিয়োম জোন’ নামে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ দূষণহীন (জিরো এমিশন) শহরটি তৈরির কাজ চলতি বছরের প্রথম দিকেই শুরু হওয়ার কথা, যা শেষ হতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগবে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, শহরে অতি দ্রুত চলাচলের জন্য অত্যাধুনিক রাস্তা থাকবে। ‘বিজনেস হাব’ হিসেবে গড়া এই শহরে মানুষের থাকার ব্যবস্থাও থাকবে। এখানকার সবকিছু চলবে পরিশ্রুত জ্বালানির সাহায্যে, যা পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে। এতে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষের। জর্ডান ও মিসর সীমান্ত সংযুক্ত এই শহর দিয়ে সৌদি অর্থনীতির ব্যাপক উন্নতির আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই শহরে গাড়ি চলাচল বা কার্বন নিঃসরণের মতো কোনো জিনিস থাকবে না। তবে শহরটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে থাকবে অগ্রসর বা অত্যাধুনিক। এটি নতুন প্রজন্মের শহরের ‘মডেল হয়ে থাকবে’ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।