০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো বৃহত্তম জাহাজ; এ যেন ভ্রাম্যমাণ দ্বীপ

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় সামরিক জাহাজ। সমুদ্র অভিযানে ইরানি নৌবাহিনীকে লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়ার জন্য এ জাহাজ ব্যবহৃত হবে এবং এতে হেলিকপ্টার বহন করা সম্ভব। জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে। ইরানের নৌবহরে এটিই সবচেয়ে বড় সামরিক জাহাজ। ১২১ হাজার টনের এই সামরিক জাহাজকে ভ্রাম্যমাণ দ্বীপ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

আজ (বুধবার) মাকরান নামের এ জাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং সেনাবাহিনীর চিফ কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহিম মুসাভিসহ কয়েক জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা।

ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে, এডেন উপসাগরের বাবুল মান্দেব এবং লোহিত সাগরের মতো এলাকায় ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযানের সময় এই জাহাজ লজিস্টিক সাপোর্ট দেবে। এ ধরনের জাহাজকে ভ্রাম্যমাণ বন্দরও বলা হয় এবং এমন সামুদ্রিক অভিযানের সময় জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জাহাজটির ডেকে হেলিকপ্টার, গানশিপ এবং ড্রোন ওঠানামাও করতে পারবে।

এছাড়া, নৌবাহিনীর জন্য হোভারক্রাফট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের নৌযান বহন করতে পারবে। উত্তাল সমুদ্রের মারাত্মক প্রতিকূল অবস্থার ভেতরেও এ জাহাজ তার মিশন চালাতে পারবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো বৃহত্তম জাহাজ; এ যেন ভ্রাম্যমাণ দ্বীপ

প্রকাশিত : ০৯:২০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় সামরিক জাহাজ। সমুদ্র অভিযানে ইরানি নৌবাহিনীকে লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়ার জন্য এ জাহাজ ব্যবহৃত হবে এবং এতে হেলিকপ্টার বহন করা সম্ভব। জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে। ইরানের নৌবহরে এটিই সবচেয়ে বড় সামরিক জাহাজ। ১২১ হাজার টনের এই সামরিক জাহাজকে ভ্রাম্যমাণ দ্বীপ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

আজ (বুধবার) মাকরান নামের এ জাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং সেনাবাহিনীর চিফ কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহিম মুসাভিসহ কয়েক জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা।

ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে, এডেন উপসাগরের বাবুল মান্দেব এবং লোহিত সাগরের মতো এলাকায় ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযানের সময় এই জাহাজ লজিস্টিক সাপোর্ট দেবে। এ ধরনের জাহাজকে ভ্রাম্যমাণ বন্দরও বলা হয় এবং এমন সামুদ্রিক অভিযানের সময় জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জাহাজটির ডেকে হেলিকপ্টার, গানশিপ এবং ড্রোন ওঠানামাও করতে পারবে।

এছাড়া, নৌবাহিনীর জন্য হোভারক্রাফট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের নৌযান বহন করতে পারবে। উত্তাল সমুদ্রের মারাত্মক প্রতিকূল অবস্থার ভেতরেও এ জাহাজ তার মিশন চালাতে পারবে।