০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ধর্ষণ মামলার আসামির ৪০ বছর কারাদণ্ড

ধর্ষণ মামলার আসামিকে ৪০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রোস্তম আলী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি ফিরোজা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার আসামি মাসুদ রানা (৩৬) পলাতক রয়েছে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী খাদিজা বেগম ঘটনার সাত দিন পর কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৩০ জুন দুপুরে জয়পুরহাট সদর উপজেলার হরিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দীনের মেয়ে খাদিজা বেগমকে (১৩) প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদের ছেলে মাসুদ রানা ধর্ষণ করে। খাদিজার আর্তচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গেলে মাসুদ রানা পালিয়ে যায়। বিবস্ত্র অবস্থায় খাদিজাকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। তাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় হেলাল উদ্দীন বাদী হয়ে ওইদিন জয়পুরহাট সদর থানায় মাসুদ রানাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর থেকে মাসুদ রানা পলাতক রয়েছে। ধর্ষণের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে খাদিজা ২০১২ সালের ৭ জুলাই কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করে।

মামলাটি তদন্ত করে জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই ) আসাদুল হক আসামি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে বিচারক ওই সাজা দেন।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন, আসামি যেদিন গ্রেফতার হবে অথবা আত্মসমর্পণ করবে সেদিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

ধর্ষণ মামলার আসামির ৪০ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৮:৪০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

ধর্ষণ মামলার আসামিকে ৪০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রোস্তম আলী এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি ফিরোজা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার আসামি মাসুদ রানা (৩৬) পলাতক রয়েছে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী খাদিজা বেগম ঘটনার সাত দিন পর কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৩০ জুন দুপুরে জয়পুরহাট সদর উপজেলার হরিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দীনের মেয়ে খাদিজা বেগমকে (১৩) প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদের ছেলে মাসুদ রানা ধর্ষণ করে। খাদিজার আর্তচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গেলে মাসুদ রানা পালিয়ে যায়। বিবস্ত্র অবস্থায় খাদিজাকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। তাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় হেলাল উদ্দীন বাদী হয়ে ওইদিন জয়পুরহাট সদর থানায় মাসুদ রানাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর থেকে মাসুদ রানা পলাতক রয়েছে। ধর্ষণের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে খাদিজা ২০১২ সালের ৭ জুলাই কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করে।

মামলাটি তদন্ত করে জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই ) আসাদুল হক আসামি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে বিচারক ওই সাজা দেন।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন, আসামি যেদিন গ্রেফতার হবে অথবা আত্মসমর্পণ করবে সেদিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান