০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

ঝালকাঠিতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামী-ভিকটিম’র বিয়ে

ঝালকাঠিতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামীর সাথে ভিকটিম তরুণীর বিয়ের শর্তে ধর্ষকের জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ। রোববার জামিন শুনানীর নির্ধারিত দিনে আদালতে বাদী এবং আসামী উপস্থিত হলে জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ বরপক্ষের অনুরোধে উভয় পক্ষকে বিয়ের শর্তে স্থায়ী জামিনের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে উভয় পক্ষ রাজি হলে জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ’র নির্দেশে রোববার দুপুরে দুইপক্ষের উপস্থিতে বিয়ে পড়ান কাজী মাওলানা মোঃ সৈয়দ বশির। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) এবং বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল ও আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ বিয়ের বর হলেন সদর উপজেলার বৈদারাপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম আর কনে হলেন চরভাটারাকান্দা গ্রামের আয়শা আক্তার। বিয়ের পর আসামী বর মহিদুলের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক মো. শহিদুল্লাহ ।
পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল মান্নান রসুল জানান, ৩বছর পূর্বে ঝালকাঠি সদর উপজেলার চরভাটারাকান্দা গ্রামের গ্রামের আয়শা আক্তারকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিমের মা লাকি বেগম বাদী হয়ে একটি নালিশী মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামী পলাতক ছিলো। রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামীর জামিন শুনানীর সময় আসামী পক্ষ ভিকটিমকে বিবাহের আগ্রহ প্রকাশ করলে এবং নির্যাতিত পক্ষও প্রস্তাবে রাজি হলে বিচারক মো. শহিদুল্লাহ আদালতের মধ্যেই ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহের নির্দেশ দেন। আদালত চত্বরে আসামী, ভিকটিম ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিবাহ সম্পন্ন হয় । বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতে কাগজপত্র জমা দিলে শুনানী শেষে আসামীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চন্দনাইশে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের আওতাধীন উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ সহ শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ঝালকাঠিতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামী-ভিকটিম’র বিয়ে

প্রকাশিত : ০৫:০৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

ঝালকাঠিতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামীর সাথে ভিকটিম তরুণীর বিয়ের শর্তে ধর্ষকের জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ। রোববার জামিন শুনানীর নির্ধারিত দিনে আদালতে বাদী এবং আসামী উপস্থিত হলে জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ বরপক্ষের অনুরোধে উভয় পক্ষকে বিয়ের শর্তে স্থায়ী জামিনের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে উভয় পক্ষ রাজি হলে জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ’র নির্দেশে রোববার দুপুরে দুইপক্ষের উপস্থিতে বিয়ে পড়ান কাজী মাওলানা মোঃ সৈয়দ বশির। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) এবং বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল ও আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ বিয়ের বর হলেন সদর উপজেলার বৈদারাপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম আর কনে হলেন চরভাটারাকান্দা গ্রামের আয়শা আক্তার। বিয়ের পর আসামী বর মহিদুলের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক মো. শহিদুল্লাহ ।
পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল মান্নান রসুল জানান, ৩বছর পূর্বে ঝালকাঠি সদর উপজেলার চরভাটারাকান্দা গ্রামের গ্রামের আয়শা আক্তারকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিমের মা লাকি বেগম বাদী হয়ে একটি নালিশী মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামী পলাতক ছিলো। রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামীর জামিন শুনানীর সময় আসামী পক্ষ ভিকটিমকে বিবাহের আগ্রহ প্রকাশ করলে এবং নির্যাতিত পক্ষও প্রস্তাবে রাজি হলে বিচারক মো. শহিদুল্লাহ আদালতের মধ্যেই ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহের নির্দেশ দেন। আদালত চত্বরে আসামী, ভিকটিম ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিবাহ সম্পন্ন হয় । বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতে কাগজপত্র জমা দিলে শুনানী শেষে আসামীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ