০১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

৫ জনের যাবজ্জীবন

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জন্মভূমি সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বালু হত্যার ঘটনায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- জাহিদ ওরফে সবুজ, নজু ওরফে রিপন, রিমন ও মাসুম ওরফে জাহাঙ্গীর। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। আসামি জাহাঙ্গীর পলাতক রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৭ জুন হুমায়ূন কবীর বালু নিজ কর্মস্থল দৈনিক জন্মভূমির প্রধান ফটকে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।

২০০৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম শিকদার সাংবাদিক বালু হত্যা মামলার রায়ে সব আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।

অন্যদিকে ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এনামুল হক বিস্ফোরক মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১০ মে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তে সিআইডিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলায় সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছেন। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করেন সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহাদাৎ হোসেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে অবসর ভাবনা সাকিবের

৫ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০৩:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জন্মভূমি সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বালু হত্যার ঘটনায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- জাহিদ ওরফে সবুজ, নজু ওরফে রিপন, রিমন ও মাসুম ওরফে জাহাঙ্গীর। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। আসামি জাহাঙ্গীর পলাতক রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৭ জুন হুমায়ূন কবীর বালু নিজ কর্মস্থল দৈনিক জন্মভূমির প্রধান ফটকে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।

২০০৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম শিকদার সাংবাদিক বালু হত্যা মামলার রায়ে সব আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।

অন্যদিকে ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এনামুল হক বিস্ফোরক মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১০ মে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তে সিআইডিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলায় সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছেন। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করেন সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহাদাৎ হোসেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান