আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশাল যাবেন। তার আগমন ও জনসভাকে ঘিরে বরিশালে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রচার-প্রচারণার চালাচ্ছে নেতাকর্মিরা। তিন লাখ মানুষের উপস্থিতিতে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণতো করার লক্ষে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে সভাস্থল বরিশাল নগরের বান্দরোডস্থ বঙ্গবন্ধু উদ্যানকে গোছানোর কাজ।
পাশাপাশি নগরজুড়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো, তোরণ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সিটি করপোরেশেনর পক্ষ থেকেও শহর পরিষ্কার, ফুটপাতে রং করা, ভাঙা সড়ক সংস্কার করার কাজ।
এ উপলক্ষে বরিশালসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা উপজেলা থেকে ইউনিয়ন ও মহানগরের নেতারা ওয়ার্ড পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সার্বিকভাবে দীর্ঘ ছয় বছর পরে বরিশালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে যেন বইছে অনেকটাই উৎসবের আমেজ।
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল জানান, প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আসছেন মূলত শেখ হাসিনা সেনানিবাস উদ্বোধন করার জন্য। সেখান থেকে বরিশালে জনসভায় আসবেন। যে জনভায় আমাদের নেত্রী আসন্ন সিটি ও জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রীক কিছু দিক নির্দেশনা দিবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি। কিছু উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধনীও ঘোষণা করবেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে গত ১ সপ্তাহ ধরে আমরা মহানগর আওয়ামী লীগ ওয়ার্ড কেন্দ্রীক সভা করেছি। জনসভা যদিও বরিশাল মহানগরে হচ্ছে তবে এ জনসভায় বৃহত্তর বরিশাল বিভাগের প্রতিটি জেলা উপজেলার অংশগ্রহণ থাকবে।
ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আমাদের অভিভাবক বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহের নেতৃত্বে বেশকিছু সভা হয়েছে।
তিনি বলেন, মহানগরে জনসভাটি হওয়ায় আমাদের আশা আশঙ্কা যেমন অনেক বেশি, তেমনি দায়িত্ব অনেক বেশি। গত ছয়দিনে আমরা বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড নিয়ে ৬টি কর্মীসভা করেছি। লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। শুক্রবার থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে।

























