০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

নারী কাউন্সিলরের পারলারের আড়ালে ‘দেহ ব্যবসা’

রোকছানা আহমেদ রোজী

বিউটি পারলারের আড়ালে দেহ ব্যবসা করার অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রোকছানা আহমেদ রোজীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

পারলারের এক কিশোরকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে যৌনকর্মে বাধ্য করার অভিযোগে ওই নারী কাউন্সিলরসহ আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে মামলা করা হয়। গাজীপুর মহানগর বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ওই কাউন্সিলরের মালিকানাধীন আনন্দ বিউটি পারলারে দীর্ঘদিন ধরে এসব চলছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ বিউটি পারলার থেকে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করেছে।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, মোটা অংকের বেতনের আশ্বাসে কাউন্সিলর রোকছানা আহমেদ রোজী তাকে পারলারে চাকরি দিয়েছিলেন। পরে তাকে পারলারে কাজের বদলে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হতো দেহ ব্যবসায়। কিশোরী দুই বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নেত্রকোনার এই কিশোরীর গাজীপুরে কোনো স্বজন না থাকায় অভিযুক্ত কাউন্সিলরের ভাড়া বাসায় থাকতেন।

কিশোরীর ভাষ্য, চাকরির শুরু থেকেই ওই কাউন্সিলর তাকে জিম্মি করে এ ব্যবসা করে আসছিলেন। অনেকবার সে চেষ্টা করেছে নিজেকে রক্ষা করতে। কিন্তু কাউন্সিল ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিরত রেখেছে।

গাজীপুর মহানগর বাসন থানার ওসি মো. কামরুল ফারুক জানান, কাউন্সিলর ছাড়াও নুরুল হকের নাম উল্লেখসহ আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই কিশোরী। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে কাউন্সিল রোকছানা আহমেদ রোজীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারী কাউন্সিলরের পারলারের আড়ালে ‘দেহ ব্যবসা’

প্রকাশিত : ০৮:১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বিউটি পারলারের আড়ালে দেহ ব্যবসা করার অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রোকছানা আহমেদ রোজীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

পারলারের এক কিশোরকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে যৌনকর্মে বাধ্য করার অভিযোগে ওই নারী কাউন্সিলরসহ আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে মামলা করা হয়। গাজীপুর মহানগর বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ওই কাউন্সিলরের মালিকানাধীন আনন্দ বিউটি পারলারে দীর্ঘদিন ধরে এসব চলছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশ বিউটি পারলার থেকে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করেছে।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, মোটা অংকের বেতনের আশ্বাসে কাউন্সিলর রোকছানা আহমেদ রোজী তাকে পারলারে চাকরি দিয়েছিলেন। পরে তাকে পারলারে কাজের বদলে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হতো দেহ ব্যবসায়। কিশোরী দুই বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নেত্রকোনার এই কিশোরীর গাজীপুরে কোনো স্বজন না থাকায় অভিযুক্ত কাউন্সিলরের ভাড়া বাসায় থাকতেন।

কিশোরীর ভাষ্য, চাকরির শুরু থেকেই ওই কাউন্সিলর তাকে জিম্মি করে এ ব্যবসা করে আসছিলেন। অনেকবার সে চেষ্টা করেছে নিজেকে রক্ষা করতে। কিন্তু কাউন্সিল ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিরত রেখেছে।

গাজীপুর মহানগর বাসন থানার ওসি মো. কামরুল ফারুক জানান, কাউন্সিলর ছাড়াও নুরুল হকের নাম উল্লেখসহ আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই কিশোরী। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে কাউন্সিল রোকছানা আহমেদ রোজীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ