০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

পুলিশ সুপারের বাসভবনসহ সরকারী জমি আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেফতার-২

শরীয়তপুর জেলার পুলিশ সুপারের সরকরী বাসভবনের জায়গাসহ কিছু সংখ্যক সরকারী অফিসের জমি জাল কাগজপত্র করে আত্মসাতের পায়তারা করায় শরীয়তপুর গোয়েন্দা পুলিশ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। জানাগেছে, শরীয়তপুরের ১নং খাশ খতিয়ান ভুক্ত ১১১, ১১৬, ১১৯, ১৩১, ১৩২, ৯৬, ৯৭, ৯৯, ১০০, ১১২, ১২৮ ও ১২৯ নং দাগের সরকারী জমি যাহাতে ১৯৭৭ সাল থেকে তৎকালীন এসডিপিও ও জেলা পুলিশ সুপারের বাসভবন, পুলিশের ব্যারাক, অন্যান্য অফিসের বাইন্ডারী ওয়ালের মধ্যে বিদ্যমান। এ সকল জমিতে ভূয়া একটি জালিয়াত চক্র ২০৫ ও ২০৬ নং খতিয়ান খুলে জাল কাগজপত্র সৃজন করত শরীয়তপুর সহকারী ভুমি কর্মকর্তার সদর কার্যালয়ের নামজারির জন্য আবেদন করে।

এঅবস্থার টের পেয়ে পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুজ্জামান সরকারী জমি রক্ষার জন্য সরকারের বিভিন্ন অফিস ও দপ্তরে খোজ খবর নিয়ে দেখেন জালিয়াত চক্র পৌরসভার স্বর্নঘোষ এলাকার মৃত আবুল হাসেম মাদবর এর পূত্র শরীয়তপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আঃ সালাম মাদবর, আবু আলম মাদবর, আবুল কালাম আজাদ মাদবর, আবুল বাশার মাদবর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মাদবর, সামসুন্নাহার বেগম, মাকসুদা বেগম, নুরুন্নাহার বেগম, শাহনাজ বেগমগন এ জমিতে ২০৫ ও ২০৬ নং ভুয়া খতিয়ান বানিয়ে মথুরা মোহন সাহা গংদেও নামে বায়নাপত্র বানিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আদালত থেকে গোপনে ডিগ্রী নিয়েছে। এরপর তারা ঔ সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি দেখিয়ে কাগজপত্র বানিয়েছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার পর পালং ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ জুয়েল হোসেন ঢালি বাদী হয়ে আঃ সালাম মাদবর, আবু আলম মাদবর, আবুল কালাম আজাদ মাদবর, আবুল বাশার মাদবর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মাদবর, সামসুন্নাহার বেগম, মাকসুদা বেগম, নুরুন্নাহার বেগম, শাহনাজ বেগমকে আসামী করে পালং মডেল থানায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা দায়ের করে ।

মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ সাইফুল আলম তদন্ত করছেন। গত বুধবার রাতে শরীয়তপুর স্টেডিয়ামের কাছ থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আসামী আঃ সালাম ও আবু আলম মাদবরকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার সকালে ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করে শরীয়তপুর কোর্টে সোপর্দ করে। ঘটনাটি শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুজ্জামান অনানুষ্ঠানিক ভাবে সাংবাদিকদেরকে অবহিত করেছেন। গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ সাইফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলার তদন্ত চলছে। এজাহার নামীয় দুজন আসামীকে গ্রেফতার করে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান বলেন, যেহেতু এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। তাই তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পুলিশ সুপারের বাসভবনসহ সরকারী জমি আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেফতার-২

প্রকাশিত : ১০:১২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

শরীয়তপুর জেলার পুলিশ সুপারের সরকরী বাসভবনের জায়গাসহ কিছু সংখ্যক সরকারী অফিসের জমি জাল কাগজপত্র করে আত্মসাতের পায়তারা করায় শরীয়তপুর গোয়েন্দা পুলিশ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। জানাগেছে, শরীয়তপুরের ১নং খাশ খতিয়ান ভুক্ত ১১১, ১১৬, ১১৯, ১৩১, ১৩২, ৯৬, ৯৭, ৯৯, ১০০, ১১২, ১২৮ ও ১২৯ নং দাগের সরকারী জমি যাহাতে ১৯৭৭ সাল থেকে তৎকালীন এসডিপিও ও জেলা পুলিশ সুপারের বাসভবন, পুলিশের ব্যারাক, অন্যান্য অফিসের বাইন্ডারী ওয়ালের মধ্যে বিদ্যমান। এ সকল জমিতে ভূয়া একটি জালিয়াত চক্র ২০৫ ও ২০৬ নং খতিয়ান খুলে জাল কাগজপত্র সৃজন করত শরীয়তপুর সহকারী ভুমি কর্মকর্তার সদর কার্যালয়ের নামজারির জন্য আবেদন করে।

এঅবস্থার টের পেয়ে পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুজ্জামান সরকারী জমি রক্ষার জন্য সরকারের বিভিন্ন অফিস ও দপ্তরে খোজ খবর নিয়ে দেখেন জালিয়াত চক্র পৌরসভার স্বর্নঘোষ এলাকার মৃত আবুল হাসেম মাদবর এর পূত্র শরীয়তপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আঃ সালাম মাদবর, আবু আলম মাদবর, আবুল কালাম আজাদ মাদবর, আবুল বাশার মাদবর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মাদবর, সামসুন্নাহার বেগম, মাকসুদা বেগম, নুরুন্নাহার বেগম, শাহনাজ বেগমগন এ জমিতে ২০৫ ও ২০৬ নং ভুয়া খতিয়ান বানিয়ে মথুরা মোহন সাহা গংদেও নামে বায়নাপত্র বানিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আদালত থেকে গোপনে ডিগ্রী নিয়েছে। এরপর তারা ঔ সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি দেখিয়ে কাগজপত্র বানিয়েছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার পর পালং ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ জুয়েল হোসেন ঢালি বাদী হয়ে আঃ সালাম মাদবর, আবু আলম মাদবর, আবুল কালাম আজাদ মাদবর, আবুল বাশার মাদবর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মাদবর, সামসুন্নাহার বেগম, মাকসুদা বেগম, নুরুন্নাহার বেগম, শাহনাজ বেগমকে আসামী করে পালং মডেল থানায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা দায়ের করে ।

মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ সাইফুল আলম তদন্ত করছেন। গত বুধবার রাতে শরীয়তপুর স্টেডিয়ামের কাছ থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আসামী আঃ সালাম ও আবু আলম মাদবরকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার সকালে ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করে শরীয়তপুর কোর্টে সোপর্দ করে। ঘটনাটি শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুজ্জামান অনানুষ্ঠানিক ভাবে সাংবাদিকদেরকে অবহিত করেছেন। গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ সাইফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলার তদন্ত চলছে। এজাহার নামীয় দুজন আসামীকে গ্রেফতার করে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান বলেন, যেহেতু এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। তাই তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ