০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ডিমলায় হোমিওপ্যাথিক এইচ পি সি পরিক্ষার সনদ না দিয়ে ভুয়া সনদ প্রদান

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের মোঃ শাহাজালাল ইসলাম এক শিক্ষার্থীকে হোমিওপ্যাথিক এইচ পি সি পরিক্ষার সনদ না দিয়ে ভুয়া সনদ প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে।

বয়রা খুলনা বাংলাদেশ “হোমিওপ্যাথিক প্যারা মেডিকেল” S-1258 (12)/89 কোর্ড রেজিঃ নং শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচ পি সি পরীক্ষা যাহার রেজিষ্ট্রেশন নং- ২৯৭, গত ২০১৩-১৪ ইং শিক্ষা বর্ষে পরিক্ষায় উত্তির্ন হয়ে উক্ত পাশের মূল সনদপত্রের আবেদন করলে উক্ত পরিক্ষার সনদ না দিয়ে এল এইচ এম পি যাহার রেজিষ্ট্রেশন নং- ০২৬৭৬, রোল নং- ৭৯২ একটি ভুয়া সনদপত্র বানিয়ে প্রদান করেছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীর বাবা মোঃ খাইরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই জাল সনদপত্রটি বুড়ি তিস্তা হোমিওপ্যাথিক প্যারা মেডিকেল কলেজ যাহার রেজিঃ নং- ডিমঃ ৫৪ এর অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবর রহমান এনে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন যে, আমার ছেলে হোমিওপ্যাথিক এইচ পি সি পাশের ভুয়া সনদের বিষয়ে অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন ধুর ঐ সব কেউ দেখে নাকি। বাদ দেন তো ঐ সব চিন্তা-ভাবনা, ওই সনদ দিয়ে কাজ চালিয়ে যান কোন সমস্যা নাই।

উক্ত বিষয়ে অধ্যক্ষ মাহবুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে সঠিক তথ্য জানতে চাইলে সংবাদকর্মীকে বলেন, হ্যাঁ সনদটির একটু সমস্যা আছে আমি বোর্ডে গিয়ে ঠিক করে এনে দিবো।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ডিমলায় হোমিওপ্যাথিক এইচ পি সি পরিক্ষার সনদ না দিয়ে ভুয়া সনদ প্রদান

প্রকাশিত : ০৪:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের মোঃ শাহাজালাল ইসলাম এক শিক্ষার্থীকে হোমিওপ্যাথিক এইচ পি সি পরিক্ষার সনদ না দিয়ে ভুয়া সনদ প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে।

বয়রা খুলনা বাংলাদেশ “হোমিওপ্যাথিক প্যারা মেডিকেল” S-1258 (12)/89 কোর্ড রেজিঃ নং শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচ পি সি পরীক্ষা যাহার রেজিষ্ট্রেশন নং- ২৯৭, গত ২০১৩-১৪ ইং শিক্ষা বর্ষে পরিক্ষায় উত্তির্ন হয়ে উক্ত পাশের মূল সনদপত্রের আবেদন করলে উক্ত পরিক্ষার সনদ না দিয়ে এল এইচ এম পি যাহার রেজিষ্ট্রেশন নং- ০২৬৭৬, রোল নং- ৭৯২ একটি ভুয়া সনদপত্র বানিয়ে প্রদান করেছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীর বাবা মোঃ খাইরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই জাল সনদপত্রটি বুড়ি তিস্তা হোমিওপ্যাথিক প্যারা মেডিকেল কলেজ যাহার রেজিঃ নং- ডিমঃ ৫৪ এর অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবর রহমান এনে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন যে, আমার ছেলে হোমিওপ্যাথিক এইচ পি সি পাশের ভুয়া সনদের বিষয়ে অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন ধুর ঐ সব কেউ দেখে নাকি। বাদ দেন তো ঐ সব চিন্তা-ভাবনা, ওই সনদ দিয়ে কাজ চালিয়ে যান কোন সমস্যা নাই।

উক্ত বিষয়ে অধ্যক্ষ মাহবুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে সঠিক তথ্য জানতে চাইলে সংবাদকর্মীকে বলেন, হ্যাঁ সনদটির একটু সমস্যা আছে আমি বোর্ডে গিয়ে ঠিক করে এনে দিবো।