০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

নাগরপুরে পুকুর থেকে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ছবেদ আলী (৪২) নামের এক দিনমজুরের লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ মার্চ) সকালে মামুদনগর ইউনিয়নের চারাবাগ গ্রামের পরশ আলীর পুকুর থেকে মৃত দেহটি উদ্ধার করে নাগরপুর থানা পুলিশ। সে উপজেলার গোপালপুর রান্ধুনি পাড়া গ্রামের রমেজ আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার।
এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছবেদ আলী বিয়ের পর থেকে চারাবাগ গ্রামে তার মামা শ্বশুর রাইজুদ্দিনের বাড়িতে বসবাস করতেন। স্ত্রীর পরকিয়া প্রেমের কারনে সাংসারিক জীবনে স্ত্রীর সাথে তার বনিবনা ছিল না জানা গেছে।
জানা যায়, শুক্রবার ভোরে প্রতিদিনের ন্যায় সে (ছবেদ) কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। সকাল ৭ টার দিকে পরশ আলীর পুকুরে ছবেদ আলীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। মৃত ছবেদ আলীর কপালে ও মাথায় রক্ত ক্ষরণ হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছে। এ দিকে এলাকাবাসীর ধারনা কে বা কাহারা তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে লাশটি পুকুরে ফেলে গেছে ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জরিনা বেগম জানান, মৃত ছবেদ আলী একজন দরিদ্র কৃষি শ্রমিক। আমার জানা মতে তার কোন শত্রু ছিল না। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন ছিল দীর্ঘ দিনের। এটি নিছক দূর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা এনিয়ে এলাকায় গুঞ্জনের ঝড় বইছে বলেও তিনি জানান।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ছবেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন থানায় অভিযোগ করেছেন। তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নাগরপুরে পুকুর থেকে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৫:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মার্চ ২০২১

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ছবেদ আলী (৪২) নামের এক দিনমজুরের লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ মার্চ) সকালে মামুদনগর ইউনিয়নের চারাবাগ গ্রামের পরশ আলীর পুকুর থেকে মৃত দেহটি উদ্ধার করে নাগরপুর থানা পুলিশ। সে উপজেলার গোপালপুর রান্ধুনি পাড়া গ্রামের রমেজ আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার।
এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছবেদ আলী বিয়ের পর থেকে চারাবাগ গ্রামে তার মামা শ্বশুর রাইজুদ্দিনের বাড়িতে বসবাস করতেন। স্ত্রীর পরকিয়া প্রেমের কারনে সাংসারিক জীবনে স্ত্রীর সাথে তার বনিবনা ছিল না জানা গেছে।
জানা যায়, শুক্রবার ভোরে প্রতিদিনের ন্যায় সে (ছবেদ) কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। সকাল ৭ টার দিকে পরশ আলীর পুকুরে ছবেদ আলীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। মৃত ছবেদ আলীর কপালে ও মাথায় রক্ত ক্ষরণ হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছে। এ দিকে এলাকাবাসীর ধারনা কে বা কাহারা তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে লাশটি পুকুরে ফেলে গেছে ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জরিনা বেগম জানান, মৃত ছবেদ আলী একজন দরিদ্র কৃষি শ্রমিক। আমার জানা মতে তার কোন শত্রু ছিল না। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন ছিল দীর্ঘ দিনের। এটি নিছক দূর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা এনিয়ে এলাকায় গুঞ্জনের ঝড় বইছে বলেও তিনি জানান।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ছবেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন থানায় অভিযোগ করেছেন। তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ